সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
সিলেট-৩ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দীন রাজু পবিত্র শবে বরাত কবে, জানালো চাঁদ দেখা কমিটি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ভোট দিতে কেউ বাধা দিলে সে শেখ হাসিনা হয়ে যাবে: আসিফ নজরুল বক্তৃতা চলাকালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জামায়াতের জেলা আমির মাওলানা মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে হাতপাখার বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ’ ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য  জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন: শায়খ আহমাদুল্লাহ স্পেনে ২ ট্রেনের সংঘর্ষে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯

মিয়ানমারে ‘যুদ্ধাবস্থা’, সংঘর্ষে নিহত ১৮

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশটিতে সেনা শাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে মানুষ। প্রথম দিকে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তেমন তৎপরতা না দেখানোয় বিক্ষোভে অংশ গ্রহণ দিন দিন বাড়তে থাকে। তবে বিক্ষোভের পরিসর বাড়তে থাকায় কঠোর হয় নিরাপত্তা বাহিনীও।

দেশটিতে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চলমান প্রতিবাদ বিক্ষোভের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন ছিল রোববার। এদিন প্রতিবাদী মানুষের ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছে পুলিশ। আর এই গুলি চালানোয় উৎসাহ দিয়েছে সেনাবাহিনী।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে বেশ কিছু মানুষ। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর মিয়ানমার জুড়ে চলমান বিক্ষোভে এদিন ছিল সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন।

এদিন পুলিশ সবচেয়ে বেশি মারমুখী ছিল দেশটির বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ। তবে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, স্টান গ্রেনেড এবং গুলি বিক্ষুব্ধ জনতার ঐক্যকে ভাঙতে ব্যর্থ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের দমাতে পুলিশকে উৎসাহ দিতে দেখা গেছে সেনাদের। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের প্রথম ক্যাথলিক কার্ডিনাল চার্লস মং বো টুইট পোস্টে বলেছেন, ‘বার্মার (মিয়ানমারের সাবেক নাম) অবস্থা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো’।

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোরের আলো ফোটার আগেই রক্তপাতহীন অভ্যুত্থান ঘটায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। ক্ষমতাসীন দল এনএলডির নেত্রী এবং স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি ও দেশটির প্রেসিডেন্টসহ শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করে এখনো আটকে রাখা হয়েছে। অভ্যুত্থানের পর থেকে সেনা সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ