আওয়ার ইসলাম: রোবটিক্স প্রযুক্তির একটি শাখা। যেখানে রোবট সমূহের ডিজাইন, নির্মাণ, কার্যক্রম ও প্রয়োগ নিয়ে কাজ করে। New Collegiate ডিকশনারীর মতে- “রোবট হচ্ছে একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যা মানুষ যেভাবে কাজ করতে পারে। সেভাবে কাজ করে অথবা এর কাজ দেখে মনে হয় এর বুদ্ধিমত্তা আছে।
রোবট, রোবটিক্সের প্রতি কমবেশি সবারই আগ্রহ আছে। জানতে চায় এর সম্পর্কে। রোবটিক্স শিখতে চায় অনেকে। কিন্তু কিভাবে শিখবে? রোবটিক্সের ধারণা পাবে কোত্থেকে? রোবটিক্স কি জটিল কিছু? এসব প্রশ্ন মনে ঘুরপাক খায়।
‘সৃষ্টির উল্লাসে রোবটিক্স’ বইটি বাচ্চা থেকে বুড়ো যে কাউকে রোবটিক্সে আগ্রহী করে তুলতে ও প্রাথমিক হাতেকলমে জ্ঞান দিতে সাহায্য করবে। একদম বেসিক ইলেকট্রনিক্স ও প্রোগ্রামিংয়ের বেসিক জানা থেকে শুরু করে রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ ও রোবটিক্সে বিভিন্ন ধাপে কাজ করা সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যাবে এই বই থেকে। ৭ বছর বা তার ঊর্ধ্বে যেকেউ এই বই থেকে রোবটিক্সের জগত সম্পর্কে হাতেকলমে ধারণা নিতে পারবে।
এই বইয়ে ৩ ডজন হাতেকলমে প্রোজেক্ট ও তার মধ্যে ৭-৮ টি হাতেকলমে রোবট বানানো শেখা যাবে। তবে বইটি সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে অভিভাবকদের জন্য। বইটি নিজে একজন মেন্টর হিসাবে যেমন কাজ করবে তেমনি বইটি পড়ে যেকেউ অন্য কাউকে রোবটিক্সে মেন্টরিং করতে সাহায্য করতে পারবেন। তাই বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে শিশু ও অভিভাবকদের একসাথেই এই বইয়ের প্রতিটি কাজ বুঝে বুঝে করার আহ্বান করা হচ্ছে।
ইলেকট্রনিক্স ও প্রোগ্রামিং নিয়ে ২ খণ্ডের বইটি লিখেছেন মিশাল ইসলাম। তিনি আহছান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিএসসিতে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যায়ন করেন।
কর্মজীবনে মিশাল কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডে আইওটি ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। এরপর বাংলাদেশ ওপেন সাের্স নেটওয়ার্কে প্রােগ্রাম কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশে আইসিটি কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত হন এবং বর্তমানে সেখানেই কর্মরত আছেন।
পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রােবট অলিম্পিয়াডে কোঅরডিনেটর হিসাবে যুক্ত আছেন এবং আন্তর্জাতিক রােবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দলের প্রধান মেন্টর হিসাবে কাজ করছেন। ইন্টারনেট অব থিংস কাউন্সিলের কাউন্সিল মেমà