সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

ফারেগীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামীর নসীহত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শেষ হতে চলেছে কওমী মাদরাসাগুলোর শিক্ষাবর্ষ। শিক্ষাবর্ষের সমাপ্তিতে তাকমীল, ইফতা, আদবসহ ফারেগীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান নসীহত করেছেন দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার গ্রান্ড মুফতী, হাটহাজারী মাদরাসার প্রধান পরিচালক মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী। নসীহত অনুলিখন করেছেন- মুফতি হোসাইন আহমদ জাবের। আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য হযরতের এই নসীহত হুবহু তুলে ধরা হলো।


نحمده ونصلي على رسوله الكريم اما بعد
'প্রথমে তোমাদের একটি কথা বলি, যদি তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে কিছু চাও, তাহলে আখেরাতের জিনিসই চাও। আল্লাহ তাআলার রেযা চাও, তাঁর ইলম চাও, তাঁর মুহাব্বাত চাও। জামিয়া নিউ টাউনে আমার একত্রিশ বছর কেটেছে। তিন বছর লেখা-পড়ায় আর আঠাশ বছর উসতায হিসাবে। আস্ত বাংলা মূলকের মধ্যে ওখানে আমি একাই ছিলাম। কোন আত্মীয়-স্বজন ছিল না। কাছের কোন মানুষ-ই ছিল না।

আমরা দরসে মাগরিবের পর মুতালাআ করতাম। এশার পর যার যার রুমে চলে যেতাম। একদিন এশার সময় যার যার রুমে চলে যাব, হঠাৎ একদিন একজন এক এক করে সবাইকে জিজ্ঞেস করতে লাগলো- দুনিয়াতে তারা কী কী চায়? সবাই যার ইচ্ছা বললো। যখন আমার কাছে আসলো, তখন আমি বললাম, ভাই আমি এই দরসগাহের মতো একটি রুম চাই। যেখানে আলমারি ভর্তি কিতাব থাকবে, আর আমি বসে বসে মুতালাআ করতে পারব!

এই কথাটি বলার সময় আমার মাথায় জামিয়া নিউ টাউনে খেদমত করার ধারণাই ছিল না। কেননা, জামিয়া নিউ টাউনে আমার খেদমত করার কোন কারণই ছিল না। আমার কোন আত্মীয়-স্বজন নেই, যারা আমার জন্য সুপারিশ করবেন। অতপর জুমাদাল উলার পনেরো তারিখ জামিয়া থেকে আমরা ফারিগ হলাম। আমি ইরাদা করলাম যে, দেশে চলে যাব। আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রাহি. এর কাছে গিয়ে দেশে আসার জন্য ইযাজত চাইলাম। তিনি আমাকে বললেন, "তুমি দু'মাস মাদরাসার খুসুসি মেহমান খানায় থাকো।"

জামিয়া নিউ টাউনে দুটি মেহমান খানা ছিল। একটি ছাত্র ও উসতাযদের মেহমানদের জন্য আর অন্যটি আম মেহমানদের জন্য। আল্লামা বিন্নুরী আরো বললেন, "বাদশাহ খান (মেহমান খানার খাদিম) সকাল-সন্ধ্যা তোমার খাবার পৌঁছে দেবে। দু'মাস পর তোমার ব্যাপারে আমরা কিছু ভাববো।"

তিনি কী ভাববেন তা বলেননি। আমি ভেবেছি হয়ত অন্যকিছু। চারদিন মেহমান খানার বন্ধ রুমে কেটে গেল। হঠাৎ ভাবলাম করাচী চলে যাই। ওখানে আমার একজন দোস্ত একটি মসজিদের ইমাম। তার কাছে চলে যাওয়ার ইরাদা করলাম। বাদশাহ খানকে