বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গণঅভ্যুত্থান দিবসে ইফাদাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিল গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চায় খেলাফত মজলিস ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের ফসল’ দেশব্যাপী ইসলামী আন্দোলনের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন শুক্রবারে বায়তুল মোকাররমে জুমার খুতবাপূর্ব বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম ইমরান খানের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ পাকিস্তানে, ব্যাপক ধরপাকড় জুলাইয়ের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বায়তুল মোকাররমে কুরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান ও মাদরাসাপড়ুয়াদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা হজযাত্রীদের জন্য নতুন ছাতার নকশা আহ্বান সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের

মাদারীপুরে গরম হাওয়া ৩৯ হেক্টর জমির ধানের ক্ষতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মাদারীপুরে বোরো মৌসুমের প্রায় ৩৯ হেক্টর ধানের ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন শত শত কৃষক।

স্থানীয় কৃষি দপ্তর বলছে, গরম হাওয়ার কারণে এই ক্ষতি হয়েছে। তারা কৃষকদের সহযোগিতার জন্য সরকারি প্রণোদনা চেয়েছে।

গত ৬ এপ্রিল বিকেল থেকে রাত পর‌্যন্ত কালবৈশাখীর তাণ্ডবের সঙ্গে গরম হাওয়া বয়ে যাওয়ার পর থেকেই এসব ক্ষেতের ধানের শীষ শুকিয়ে পচে সাদা আকার ধারণ করে নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক স্থানে ধানের পাতাসহ পুরো ধান কালো হয়ে গেছে। ফলে এসব জমির ধানে চিটা ধরে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

মাদারীপুর কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার ৩৩ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। কালবৈশাখীর সঙ্গে গরম হাওয়া বয়ে যায়। এ সময় ওই গরম হাওয়ায় এসব ধানের ফুল ঝরে নষ্ট হয়েছে।

এছাড়া যে সব ধানে এখনো কোনো ধান পুরোপুরি আসেনি সেই ধানগুলোর গাছ পুরো কালো হয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে থাকায় এ ধরনের সমস্যা হয়েছে। এতে মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার ৩৯ হেক্টরেরও বেশি জমির ধানের ক্ষতি হয়েছে।

মাদারীপুর সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকার কৃষক মোতালেব হাওলাদার জানান, ঝড়ের সঙ্গে বয়ে গেছে গরম হাওয়া। কোথাও কোথাও ঝড়ের সঙ্গে হয়েছে শিলাবৃষ্টিও। ফলে নষ্ট হয়ে যাওয়া এসব ক্ষেতের ধানের ফুল ঝরে ও শুকিয়ে কোথাও কালো আবার কোথাও সাদা আকার ধারণ করেছে।

ডাসার থানার বালীগ্রাম এলাকার কৃষক আবু কালাম জানান, বছরে একবার আমরা ধান রোপন করি কিন্তু সেগুলোও যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।’ এমনিতেই ধান করতে অনেক খরচ, বিক্রির সময় দাম থাকে না। তাছাড়া খরচ বেশি হলেও চিন্তা করি বছরের খাবারটা যদি ঘরে রাখা যায় অন্তত লবণ দিয়ে হলেও ভাত খাওয়া যাবে।’

সদর উপজেলার ঘটমাঝি এলাকার সমসের বলেন, আমি প্রতিবছর ৩শ থেকে ৫শত মণ ধান ঘরে তুলতে পারি এবার তার অর্ধেকও মনে হয় নিতে পারবো না। আমার জমির বেশীর ভাগ ধান আগুনে পুড়লে যেমন হয় তেমন হয়ে গেছে।

মাদারীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, কালবৈশাখী ঝড়ের পরদিন থেকে এ পর্যন্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেলায় ওই ঝড়ের সঙ্গে গরম হাওয়ায় ৩৯ হেক্টর জমির ধানের ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা গেলেও ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে গেলে ধানের ফুল ঝরে এ ধরনের ক্ষতি হয়। এ ছাড়া বেশকিছু মৌসুমী ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আমরা সরকারি সহযোগিতা চেয়েছি কৃষকদের জন্য যদি আসে তাহলে সেগুলো আমরা কৃষকদের বিতরণ করবো। কৃষকদের পরমর্শ দেয়া হচ্ছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ