সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

তুরস্কের ব্লু মসজিদ দেখেই ব্রিটিশ অভিনেত্রীর ইসলাম গ্রহণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাজী আব্দুল্লাহ: তুরস্কের ব্লু মসজিদ দেখেই ইসলাম গ্রহণ করলেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী আয়েশা রোজালি। তুরস্কে ঘুরতে গিয়ে দেখেন বিখ্যাত ব্লু মসজিদ বা সুলতান আহমেদ মসজিদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসিন্দা এ অভিনেত্রী। মনোমুগ্ধকর এই মসজিদ ভ্রমণ করে ইসলামের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট ব্রিটিশ বংশোদ্ভুদ রোজালি। দুই বছর আগে তুরস্কের মসজিদটি ভ্রমণ করেন তিনি।

মসজিদ দেখার পর থেকেই ইসলাম নিয়ে গবেষণা শুরু করেন তিনি। অবশেষে ইসলামের প্রতি মুগ্ধ হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এখন তিনি সম্পূর্ণভাবে নিজেকে ইসলাম প্রচারে নিয়োজিত করেছেন। ইসলাম গ্রহণের পর রোজালি পুরোপুরি অভিনয় ছেড়ে দেন। বর্তমানে তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ইসলামের বাণী প্রচার করেন।

রোজালি বলেন, ‘ইসলাম গ্রহণে আগ্রহীদের আমি সহায়তা করতে চাই। আমি চাই আরো বেশি মানুষ ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আসুক। মুসলিম হওয়ার আগে আমি কোনো ধর্ম অনুসরণ করতাম না।’

তুরস্ক ভ্রমণের বিষয়ে তিনি বলেন, তুরস্কে এসে ধর্ম সম্পর্কে জানার আমার কোনো আগ্রহ ছিল না। গুগলে সার্চ করে ব্লু মসজিদের সন্ধান পাই। মনে মনে ভাবি যে এই মসজিদে আমার যাওয়া উচিত। মসজিদটি পরিদর্শনের আগে স্থানীয় দোকান থেকে হিজাব কিনি। ভেবেছিলাম, চুল দৃশ্যমান রাখলে মানুষ আমার ওপর রাগ করবে। তাই হিজাবটি কিনি। যেন কেউ আপত্তি জানাতে না পারে।

মসজিদ ভ্রমণে এসে রোজালি ইসলাম সম্পর্কে জানেন এবং আগ্রহী হয়ে ওঠেন। রোজালি জানান, ব্লু মসজিদে প্রবেশ করে একটি তাসবিহ ও জায়নামাজ নেই এবং কিছুক্ষণ তাসবিহ পাঠ করি। প্রায় এক ঘণ্টার মতো আমি তাসবিহ পড়ি। মসজিদের চারপাশ দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। মসজিদের ভেতরের সৌন্দর্য অবাক করার মতো। ভেতরে পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত ও নীরব।

তিনি আরও বলেন, আমার সামনে অনেক মানুষকে একসাথে নামাজ আদায় করতে দেখি। মসজিদের ভেতরের অবিশ্বাস্য মুগ্ধকর দৃশ্য ও নীরব পরিবেশ উপভোগ করতে থাকি। আমাকে দেখে কেউ আওয়াজ করছেন না দেখে খুবই অবাক হই। এরপর একপর্যায়ে আমি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলামকে আমার জীবন বিধান হিসেবে গ্রহণ করি। শান্তির ধর্ম ইসলাম গ্রহণের পর আমার মনে হয়েছে যেন আমি নবজীবন লাভ করেছি। সূত্র : আনাদুলু এজেন্সি

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ