সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি

বিয়ে নিয়ে মালালার বক্তব্যে পাকিস্তানজুড়ে সমালোচনার ঝড়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: ফ্যাশন ও লাইফ স্টাইলখ্যাত ‘ভোগ’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে জায়গা করে নিয়েছেন পাকিস্তানের নোবেলজয়ী কিশোরী মালালা ইউসুফজাই। ম্যাগাজিনটির চলতি সংখ্যায় তার একটি সাক্ষাৎকারও স্থান পেয়েছে।

তার দেয়া সাক্ষাৎকারে বিয়ে প্রসঙ্গে মালালা ইউসুফজাই বলেছেন, ‘আমি একটা ব্যাপার বুঝতে পারি না, কেন সবাই বিয়ে করে? জীবনসঙ্গীকে বেছে নিতে হলে, কাগজে সই করার দরকার কী? এটা একটা পার্টনারশিপও তো হতে পারে।’ মালালার এ বক্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। পাকিস্তানের অনেকেই তার সমালোচনা করেছেন।

আবার অনেকে বিয়ের মত সামাজিক প্রথা নিয়ে এ জাতীয় বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিবৃতিও দিয়েছেন পাকিস্তানের কয়েকজন শীর্ষ আলেম।

এদিকে পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিক আজকাল পত্রিকায় এই বিষয়ে সে দেশের নাগরিকদের সমালোচনার চিত্র তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে পত্রিকাটি বলছে, বর্তমানে টুইটারে ‘টপ ট্রেন্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মালালার বক্তব্য।

পাকিস্তানের বিখ্যাত টুইটার সেলিব্রেটি মাওলানা আবু ত্বোহা সাইফুল্লাহ মালালা ইউসুফজাইয়ের বক্তব্যকে চরম ঘৃণা প্রকাশ করে টুইটারে লিখেছেন, ‘মালালার মতো একজন নোবেলজয়ী কিশোরী কিভাবে সামাজিক রীতিনীতির বাইরে গিয়ে এমন কথা বলতে পারে তা আমরা বুঝতে পারিনা?’

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের নারীদেরও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। বিশেষত পাকিস্তানের ফেসবুক ব্যবহারকারী একাধিক নারী মালালার এ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।

কুমিরা আনসারী নামের একজন মহিলা তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ইসলামে বিয়ের গুরুত্ব বিষয়ে মালালা অনেক বেশি জানে। তারপরও এমন বক্তব্য চরম অহঙ্কারের বহির্প্রকাশ।’

অন্য একজন নারী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, ‘২০১২ সালে লাগা তালেবানের গুলির প্রভাব ২০২১ সালে প্রকাশিত হচ্ছে।’

এদিকে মালালা ইউসুফজাইয়ের বক্তব্যকে চরম উদ্ধত্যপূর্ণ ও অহংকারপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত ইসলামিক স্কলার মুফতি তারিক মাসুদ। এছাড়াও পাকিস্তানের প্রভাবশালী একাধিক আলেম মালালার বক্তব্যকে ইসলামবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ওদিকে মালালার বাবা জিয়াউদ্দিন ইউসুফ তার মেয়ের সাক্ষাতকারকে ‘বিকৃত এবং প্রসঙ্গের বাইরে’ এনে ব্যবহার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। পাকিস্তানের পেশোয়ারের প্রভাবশালী ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি সাহাবুদ্দিন টুইটারে মালালার বাবাকে ট্যাগ করে বিষয়টি ব্যাখ্যা চাইলে একথা বলেন তিনি।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ