সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

মসজিদে নববির সবুজ গম্বুজের অজানা ৬ তথ্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাজী আব্দুল্লাহ ।।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর রওজা পাকের ওপর নির্মিত মসজিদে নববির সবচেয়ে বড় সবুজ গম্বুজ। এটি গামবাদ ই খাজরা নামেও পরিচিত। মসজিদে নববির এ বড় সবুজ গম্বুজটির এমন অনেক তথ্য রয়েছে, যা অনেকেই জানেন না। অজানা এমন ৬ টি তথ্য আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

১. ১৪৮১ সালে ৯০০ হিজরির শুরুর দিকে মসজিদে নববির এ গম্বুজটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সে সময় পুরো গম্বুজটিই পুড়ে যায়। যার ফলে মসজিদের ভেতরের প্রাচীরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও পরবর্তীতে তা পুনর্গঠন করা হয়।

২. ৬৭৮ হিজরির আগে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমাধির ওপর কোনো গম্বুজ ছিল না। ৬৭৮ হিজরি সনে আল-নাসির হাসান ইবনে মুহাম্মদ কালায়ুন সর্ব প্রথম বিশ্বনবি সাঃ এর সমাধিস্থলের ওপর গম্বুজ নির্মাণ করেন। যা কাঠ দ্বারা নির্মিত ছিল।

৩. প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমাধিস্থলের ওপর নির্মিত গম্বুজটি গামবাদ ই খাজরা নামেও পরিচিত। আগের যুগের সম্ভ্রান্ত শ্রেণির মানুষ নিজেদের কিংবা নিজেদের প্রিয়জনদের সমাধিস্থল সোনা-রূপা, হিরা-জহরতের সমন্বয়ে কারুকার্য করে সাজিয়ে রাখতো। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমাধি স্থলের ওপর নির্মিত গম্বুজ সে অর্থে সাধারণ গম্বুজ হিসেবে নির্মিত। তাতে সেভাবে কোনো কারুকার্য করা হয়নি।

৪. প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সমাধিস্থল বরাবর মসজিদে নববির এ গম্বুজে একটি জানালা রয়েছে। অনেকে গম্বুজের এ স্থানটি বা চিহ্নটি সম্পর্কে ভিত্তিহীন গল্প বলে থাকে যে, কেউ গম্বুজটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল। মূলত এ জানালাটি গম্বুজের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই রাখা হয়েছে।

৫. মসজিদ ই নববীর গম্বুজটি শুরু থেকেই সবুজ ছিল না! বরং এটি প্রথমে কাঠের দ্বারা নির্মিত করা হয়। সে সময় গম্বুজটি বাদামী রঙের ছিলো, পরে এটি সাদা রঙে পরিণত হয়, এরপরে নীল এবং বেগুনি রঙ করা হয়। সবশেষ অটোমান সুলতানের নির্দেশে ১২৫৩ হিজরিতে এটিকে সবুজ রঙ দেওয়া হয়।

৬. অনেকেই হয়ত মনে করে থাকনে যে, সাধারণ লোকদের দিয়েই মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজটি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়। আসলে তা সত্য নয়। বরং এ গম্বুজটি পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নতার কাজে সুনির্দিষ্ট বিশেষ কিছু লোক রয়েছে যারা, রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রওজা পাকের ওপর অবস্থিত সবুজ গম্বুজটি পরিস্কার করে থাকেন। এ লোকদেরকে ‘ইউনুস’ বলা হয়। এ গম্বুজ পরিচ্ছন্নতায় এখনো পাঁচ জন ইউনুস নির্ধারিত রয়েছে। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ