শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডাকসুর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তফসিল চায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন ফাতেমাতুযযাহরা (রা.) মাদরাসার ৩০০ ছাত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল খুলে দেওয়াসহ শ্রমিক মজলিসের ১০ দাবি প্রাথমিকে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগসহ জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ১০ দফা দাবি সৌদিতে আরবে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর জানাজা সম্পন্ন তিব্বতে নতুন করে বাঁধে ভাঙ্গন, উদ্ধার অভিযান স্থগিত করল নেপাল ও চীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু আইনজীবীদের পেশাগত মান নিয়ে সংশয় রয়েছে: আইনমন্ত্রী দাড়ি নবীর সুন্নত, কটাক্ষ করার এখতিয়ার কারও নেই: সংসদে মনিরুল হক চৌধুরী নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে পাঠানোর’ হুঁশিয়ারি ইরানের মেজর জেনারেলের

একাধিক লোকের টাকায় ব্যবসা করে সবাইকে লভ্যাংশ দেয়ার বিষয়ে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: ব্যবসা।  প্রিয় নবি সা. এর সুন্নাত। অনেকেই ব্যবসা করতে চান। কিন্তু ব্যবসার জন্য যে পুঁজি দরকার। অনেকের কাছেই নেই সে পরিমাণ পুঁজি। তাই বন্ধু-বান্ধব কিংবা পরিচিতজনদের থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসায় নামেন। তারপর সেই ব্যবসার লভ্যাংশ যাদের থেকে টাকা এনেছেন তাদেরও দেন। আবার নিজেও রাখেন। এভাবেই ব্যবসা করেন তিনি। বর্তমানে এমন মানুষের সংখ্যার অভাব নেই। কিন্তু এই বিষয়টিকে কিভাবে দেখছে শরীয়ত?

এমনই একটি প্রশ্ন করেন জনৈক ব্যক্তি দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে। প্রশ্নকারী ব্যক্তি তার প্রশ্নে উল্লেখ করেন, ‘একজন ব্যক্তি একটি ব্যবসা করেন। যাতে প্রায় এক কোটি টাকার মতো প্রয়োজন হয়। কিন্তু এত টাকা তার নিজের কাছে না থাকায় তিনি ২০-২৫ জন লোকের থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। আর ব্যবসার লভ্যাংশের টাকার কিছু অংশ ওই সকল লোকদের দেন। যাদের থেকে টাকা এনেছিলেন। প্রশ্ন হলো, ওই সকল লোকদেরকে টাকা দেওয়া কি সুদ হবে?

জবাবে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে বলা হয়, ‘যদি ওই ব্যক্তির তাদের থেকে এই শর্তে টাকা আনে যে, টাকা দিয়ে ব্যবসার পর যে লাভ হবে, সেই লাভের কিছু অংশ আপনারাও পাবেন। আর যদি লস হয় তাহলে তারও অংশ আপনাদের থেকে যাবে। অর্থাৎ লাভ-লস ভিত্তিতে যদি ব্যবসা করে তাহলে সেই ব্যবসার লভ্যাংশের টাকা ঐ সকল লোকদের জন্য নেওয়া জায়েজ হবে।’

দেওবন্দ থেকে আরও বলা হয়, ‘কিন্তু যদি তিনি তাদের থেকে ঋণ হিসেবে টাকা নিয়ে থাকেন, আর পরবর্তীতে সে ব্যবসার লভ্যাংশের কিছু অংশ তাদের দেন। আবার ঋণও পরিশোধ করেন, তাহলে লভ্যাংশের টাকা নেওয়া ঋণদাতাদের জন্য জায়েয হবে না। বরং সে টাকা সুদ হবে। তবে ঋণ বাবদ যা দিয়েছিলেন তা নেওয়াতে কোনো সমস্যা নেই। বরং সেগুলো তার প্রাপ্য।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ