সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী রহ. যেভাবে সময়ের মূল্য দিতেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।তরিকুল ইসলাম মুক্তার।।

সময়ের নামই তো জীবন, তাই তাকে অপচয় করো না। সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ জান্নাতের সুউচ্চ মাকামে পৌঁছাতে পারে। অপর দিকে এর অবহেলা করেই সে নিক্ষিপ্ত হয় জাহান্নামের অতল দেশে। পৃথিবীর সূচনাকাল থেকেই আল্লাহ তায়ালা চন্দ্র-সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র সবকিছুকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে পরিচালনা করে আসছেন।

সূর্য প্রতিনিয়ত একটি নির্দিষ্ট সময়ে উদিত হয়, আবার একটি নির্দিষ্ট সময়ে অস্ত যায়। আল্লাহ তায়ালা সূরা শামস এর মাঝে সকালের চাশতের সময়ের ও আসরের, দিবা রাত্রির কসম করেছেন। যা থেকে সময়ের গুরুত্ব খুব সহজেই অনুমান করা যায়। এ ছাড়া শরিয়তের প্রতিটি হুকুম আহকামের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেও দেখতে পাই, ইসলাম প্রতিটি কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত ইত্যাদি বড় বড় আহকাম ছাড়াও অধিকাংশ বিষয়সমূহে সময়ের মালাগাথা। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন, নিশ্চয়ই নামাজ মুসলমানদের উপর সময়াবদ্ধ ফরজ। (সূরা নিসা)

সময়ের মর্যাদা, জীবনের গুরুত্ব, তার অনুভূতি ও গঠনমূলক জীবন গড়ার প্রতি নবি করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিভিন্ন সময়ে বিচিত্রভাবে ইঙ্গিত করেছেন। এক হাদিসে তিনি বলেন, ‘কোন ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্য হল অনর্থক বিষয় পরিত্যাগ করা।’

অপর একটি হাদীসে জীবনকে পূর্ণ সতর্কতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজে লাগানোর প্রতি আহবান জানিয়ে ঘোষিত হয়েছে। পাঁচটি জিনিসের পূর্বে অপর পাঁচটি জিনিসকে গনীমত মনে করবে। ১. বার্ধক্যের পূর্বে যৌবনকে। ২. রোগাক্রান্ত হবার পূর্বে সুস্থতাকে। ৩. স্বাবলম্বিতাকে দারিদ্র্যের পূর্বে। ৪. ব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে। ৫. মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে। সুতরাং জীবনকে সার্থক ও মূল্যবান করতে হলে সময়ের সদ্ব্যব্যবহার করতে হবে। কারণ আমরা যদি গভীরভাবে চিন্তা করি, তাহলে বুঝতে পারি যে, সময় হল জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে অনিশ্চিত সামান্য বিরতি।

স্বর্ণ-রৌপ্য একবার হাত ছাড়া হলে আবার ফিরে পাওয়া সম্ভব। এমনকি অনেক সময় পূর্বের তুলনায় অধিক পাওয়া যায়। কিন্তু যে মূহুর্তটি একবার অতিবাহিত হয়ে যায়, তা কি কোনো অবস্থায় ফিরে আসে? অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে চিন্তা করলে এটাই বুঝে আসে যে, সময় স্বর্ণ কিংবা হীরার চেয়েও দামী। তাই তো আমরা ইতিহাসে দেখতে পাই স্বরণীয় ও বরণীয় যারা, তারা সকলেই সময়ের মূল্য হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছেন।

হজরত দাউদ তায়ী রহ. রুটির পরিবর্তে ছাতু খেতেন। এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘রুটি চিবানো ও ছাতু খাওয়ার মধ্যে এ পরিমাà¦