সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

যেভাবে কেটেছিল মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী রহ. এর জীবনের শেষ দিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসমাঈল বিন মুফতি আব্দুস সালাম চাটগামী রহ.।।

চলতি বছরের ৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) আব্বু অন্যান্য দিনের মতোই সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। নাজিরহাট মাদরাসায় সেদিন শূরার বৈঠক ছিলো। আব্বু ঐ শুরায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাথে আমিসহ আরো দু'জন খাদেম ছিলো। সেখান থেকে যোহরের পর যখন হাটহাজারিতে ফিরে আসি তখনও আব্বু সুস্থ। মাদরাসায় পৌঁছে আব্বু আছর পর্যন্ত বিশ্রাম নিলেন।

[caption id="" align="aligncenter" width="308"]No photo description available. এ কিতাবটিসহ মাকতাবাতুত তাকওয়ার কম্পিউটার ছাপা দরসি কিতাব সম্পর্কে জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।[/caption]

বাদ আছর যথারীতি রুমে বসলেন এবং সাক্ষাৎপ্রার্থী ওলামা, তলাবা, ফুযালাদের সাথে কথা বললেন। মাগরিবের পর একটু ক্লান্তি বোধ হলে আধা ঘন্টা শুয়ে থাকলেন। এরপর কয়েক জন উস্তায এসে আব্বুর সাথে দেখা করে গেলেন। তারপর প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী খানাপিনা করলেন। রাত ১১ টার দিকে আমাকে ডেকে স্বাভাবিকভাবে কথা বার্তা বললেন। তখনও আমি আব্বুর মাঝে মৃত্যুর কোন আলামত দেখতে পাইনি।

আমাকে বসিয়ে ইস্তেফানামা লিখালেন। সে ইস্তেফানামাতে আব্বুকে সকল যিম্মাদারি থেকে ফারেগ করে শুধুমাত্র ফতোয়া বিভাগের দায়িত্ব দেয়ার জোর দাবি জানালেন এবং আগামিতে যেন তা ব্যতিত অন্য কোন এদারি বা ইহতেমামি (মাদরাসার পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পত্র) দায়িত্ব দেয়া না হয় তাও লিখলেন। এবং সেটার ১২ টি ফটোকপি করিয়ে খামে ভরলেন।

এ ইস্তেফানামার ব্যাপারে আব্বু হয়তো ইস্তেখারা করেছিলেন, কারণ আমরা দেখেছি আব্বু ছোট থেকে ছোট-বড় থেকে বড় যেকোন বিষয়ের জন্য ইস্তেখারা করতেন, এমনকি কাকে খাদেম হিসেবে রাখবেন, কাকে রাখবেন না এ ব্যাপারেও আব্বু ইস্তেখারা করতেন।

ঐ রাতে নিয়মানুসারে তাহাজ্জুদও পড়লেন। আব্বুর কখনো তাহাজ্জুদ মিস হত না। প্রতিদিনই নিজে অযু করে তাহাজ্জুদের সালাত এবং যিকির-আযকার আদায় করতেন, এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না বরং অন্যদিনের তুলনায় এদিনের যিকির একটু উচ্চ আওয়াজে হয়েছিল।

[caption id="" align="aligncenter" width="297"]