সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

শতবর্ষী প্রজ্ঞাবান অভিবাবক আল্লামা শফী রহ. : কিছু কথা, কিছু স্মৃতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।সাঈদ হোসাইন।।

সহজ, সরল, সাদাসিধে এক মাওলানা। প্রতিদিন কিতাব হাতে নিয়ে দারসে যেতেন, দারস শেষে আবার নিজ রুমে ফিরে আসতেন। এই ছিল নিয়মিত রুটিন। আশির দশকে যারা দেখেছেন, তারা এমনই বলেছেন। পরবর্তীতে শাইখুল আরব ওয়াল আজম আল্লামা মুহাম্মদ ইউনুস (হাজী সাহেব হুজুর) রহ. এর নেক নজর পড়ে তাঁর উপর।

হাজী সাহেব রহ. তখন হাটহাজারী মাদরাসার শুরার সভাপতি ও অভিভাবকপুরুষ। শুরার ফায়সালা অনুযায়ী তিনি মুহতামিম নির্বাচিত হন। হাটহাজারী মাদরাসার এক বার্ষিক মাহফিলে তিনি বলেন, 'মুহতামিম হওয়ার খায়েশ আমার নেই। হাজী ইউসুফ সাহেব এবং হাজী ইউনুস সাহেব রহ. আমাকে মুহতামিম বানিয়েছেন।' আমরা যার কথা বলছি তিনি হলেন আমাদের সবার প্রিয় আল্লামা আহমদ শফী রহ.।

[caption id="" align="aligncenter" width="353"]May be an image of text এ বইটিসহ মাকতাবাতুত তাকওয়ার প্রকাশিত বই সম্পর্কে জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।[/caption]

২০১০ সালে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতিসহ সরকারের বিভিন্ন ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরোধিতার মাধ্যমে এই নামটি আপন শক্তির দ্যুতি ছড়িয়ে ওঠে আসে লাইম লাইটে। ২০১৩ সালে ‘ইসলাম বিদ্বেষের প্রতিবাদে গর্জে উঠুন’ শিরোনামে সরকার ও দেশবাসীর প্রতি খোলা চিঠি দিয়ে পত্রিকার শিরোনাম হন। এরপর থেকে প্রায়ই তিনি জাতীয় দৈনিকগুলোর প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠেন। এরপর ৬ এপ্রিল শাহবাগের ইসলাম বিরোধী নাস্তিক্যবাদী অপশক্তি গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে ইসলামি মহা গণজাগরণের ডাক দেন।

১৩ দফা দাবির জন্য হাদিসের সিংহাসন ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন বয়োবৃদ্ধ এই মহানায়ক। তাঁর উস্তাদ ও শাইখ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. যেমন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, তিনিও তেমনি সেই ব্রিটিশদের প্রেতাত্মা নাস্তিক্যবাদীদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন।

তারপর আসে ৫ মে। ইতিহাসের পাতায় রক্তাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয় এক রক্তঝরা ইতিহাস। সেদিন উলামায়ে কেরাম একের পর এক রক্ত গরম করা ভাষণ দিচ্ছিলেন। জালিমের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে হকের আওয়াজ বুলন্দ করছিলেন। রক্তচোষাদের এ আওয়াজ সহ্য হয় নি।

তাদের রক্তপিপাসা জেগে ওঠà