আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাটুরিয়ায় ফেরি ডুবির ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিএ (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ)। তবে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ও হামজা দিয়ে শাহ আমানত ফেরি উদ্ধার করা সম্ভব না বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারী দলের প্রধান।
ভাসমান ও ডুবে যাওয়া আমানত শাহ ফেরি থেকে উদ্ধার করা ট্রাকগুলো রাখা হচ্ছে পদ্মা পাড়ের পানিতেই। এতে আরও বেশি ক্ষতি হচ্ছে বলে দাবি যানবাহনের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের।
তারা বলেছেন, এ কাভার্টভ্যানগুলো নদীর মধ্যখানে ছিল, সেগুলো উদ্ধার করে নদীর পাড়ে, আবার নদীর ভিতরেই রাখছে। কিন্তু উপরে ওঠাচ্ছে না। এতে কি লাভ হলো? আমাদের গাড়ির যন্ত্রাংশগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গাড়ির ভিতরের পণ্যগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে ফেরিডুবির ঘটনায় চালক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছেন ভুক্তভোগীরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, ফেরি চালক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকের গাফিলতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এছাড়া তিনদিনেও উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় না পৌঁছানোয় ক্ষিপ্ত তারা। তারা জানিয়েছেন, যে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা নিয়ে এসেছে, তার ধারণক্ষমতা এতই কম, তাতে এ উদ্ধার কাজ করা সম্ভব না।
বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম-পরিচালক ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের উত্তলন ক্ষমতা হচ্ছে ২৫০ টন এবং হামজার উত্তোলন ক্ষমতা হচ্ছে ৬০ টন। যে ফেরিটি ডুবে আছে, তার লাইট ওজন হচ্ছে ৪৮০ টন। ডুবন্ত অবস্থায় বর্তমানে এর ওজন ৬০০ টনের বেশি। সেক্ষেত্রে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় আসা পরও এটি উত্তোলন করতে পারবে না।
বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকালে পাটুরিয়া ৫ নম্বর ঘাটে ১৪টি বড় যানবাহন ও কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে ডুবে যায় ফেরি আমানত শাহ।
-এএ