রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দারুল উলুম দেওবন্দে সমবেত হচ্ছেন পাঁচ হাজার মাদরাসার প্রতিনিধি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযান, হেবরনে ঘরছাড়া ৩০০ পরিবার নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা  হজরত শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে ৮৮ লাখ টাকা, মিলল স্বর্ণ-বিদেশি মুদ্রা  নৈতিক সমাজ গঠনে মসজিদ-মাদ্রাসার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: হাবিবুর রশিদ  খুতবার মাধ্যমে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতায় আফগানিস্তানকে দায়ী করা বিভ্রান্তিকর: তালেবান মুখপাত্র আল-আকসার খতিবকে ধরে নিয়ে যাওয়ার নিন্দা জমিয়তের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের শতবর্ষী রেসকোর্স মসজিদের বিদ্যুৎ-পানির সংযোগ পুনর্বহালে দিল্লি হাইকোর্টের ‘না’

মাওলানা আব্দুল হাকীম চন্দনাইশী'র ইন্তেকালে মাওলানা আব্দুল হালীম বোখারীর শোক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জামিয়া ওয়াহেদিয়া বোয়ালখালীর সিনিয়র মুহাদ্দিস বরেণ্য ইলমী ব্যক্তিত্ব মাওলানা আব্দুল হাকীম চন্দনাইশী রহ.-এর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস মাওলানা মুফতি আব্দুল হালীম বোখারী।

গনমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাওলানা আব্দুল হাকীম রহ. আমার প্রিয় ছাত্রদের অন্যতম ছিলেন। মানতিক-ফলসফা, যুক্তি-দর্শন এবং তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে তার বিশেষ পাণ্ডিত্য ছিলো। তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন কিতাবাদির ব্যাখ্যাগন্থ রচনা করেছেন। কিছুদিন পূর্বে আমাদের জামিয়ায় ‘‘তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব’’ বিষয়ক বিশেষ বিভাগ চালু করার সিদ্ধান্ত হয়। তখন আমরা তাকে এ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। কিন্তু তিনি অসুস্থতার কারণে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

মাওলানা বোখারী বলেন, তিনি যখন মেডিকেলে ভর্তি ছিলেন, তখন আমি তার খবরা-খবর রাখতাম। আমার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ চলছিলো। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমি সফরে থাকায় তার জানাযায় অংশ গ্রহণ করতে পারিনি। আহ! তিনি আজ আমাদেরকে ছেড়ে চলে গেলেন। এভাবে একদিন আমাদের সকলকে চলে যেতে হবে।

তিনি বলেন, তিনি জামিয়া পটিয়ার একজন মুমতাজ ফাযেল। ফারেগ হওয়ার পর থেকেই ইলমী খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন। বিভিন্ন মাদরাসায় তিনি জটিল কিতাবাদির পাঠদান করেছেন। সর্বশেষ মুসলিম শরীফের দরস প্রদান করাতেন মুনশিপাড়া ওয়াহেদিয়া মাদরাসায়। দক্ষ আলেম তৈরিতে তিনি ছিলেন খুবই সিদ্ধহস্ত। তিনি তাঁর ছেলেদেরকেও যোগ্য আলেম হিসেবে গঠন করেছেন। তার এক সুযোগ্য সন্তান আমাদের জামিয়ার ফতওয়া বিভাগের উস্তাদ হিসেবে আছেন।

'তার ইন্তেকালে আমরা (‘আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া’র সকল শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্রবৃন্দ) গভীর শোক প্রকাশ করছি, তার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, তাঁর ছাত্র ও ভক্ত-অনুরক্ত এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জানাচ্ছি। রব্বে কারীম তার দীনি খেদমতগুলো কবুল করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসের সু-উচ্চ মাকামে সমাসীন করুন, আমীন।'

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ