জুলফিকার জাহিদ।।
ডিজেল ও করোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ থেকে ৮০ টাকা করেছে সরকার। জ্বালানির তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল থেকে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা সারাদেশে ধর্মঘট শুরু করেছেন ভাড়া বৃদ্ধির দাবি নিয়ে।
ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
এদিকে বাস বন্ধ থাকায় সিএনজি, রাইড শেয়ারসহ সব ধরণের যানবাহন বাড়িয়ে দিয়েছে ভাড়ার পরিমাণ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
এছাড়াও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধের প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারে। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে প্রায় সব ধরনের সবজি বিক্রি হয়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে।
কারণ হিসেবে আড়তমালিক ও সবজি বিক্রেতারা বলছেন, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ট্রাকমালিকেরাও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। পাশাপাশি যানবাহন চলাচল বন্ধের ঘোষণায় বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীতে পণ্য পরিবহনকারী ট্রাক কম এসেছে। এ দুই কারণে সবজির দাম বেড়েছে।
খেটে খাওয়া মানুষের কোনরকম বেঁচে থাকাও দায় হয়ে যাবে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, এক সাথে জ্বালানী তেলের এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি অতীতে দেশবাসী আর দেখেনি। সরকার জনগণের জীবনযাত্রাকে দিনদিন জটিলতর করে তুলছে। জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন, কৃষি ও বিদ্যুতের দাম বাড়বে এবং ভোগ্যপণ্যের চলমান অস্বাভাবিক মূল্য সীমা ছাড়াবে। ফলে সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষের কোনরকম বেঁচে থাকাও দায় হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে সরকার ডিজেল ও কেরোসিন তেলের দাম একসাথে লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর নির্দয় আঘাত করেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলবে। সবকিছু লাগামহীন হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিকভাবে মানুষ এমনিতেই বিপর্যস্ত। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন, অনেকের ব্যবসাও বন্ধ হয়েছে। এর বিরূপ প্রভাব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার মধ্যেই জ্বালানি তেলের এই দামের প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর নতুন বিপর্যয় নেমে আসবে।
তিনি অবিলম্বে ডিজেল ও কে