আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ছয় বছরে দুর্নীতি সংশ্লিষ্ট বিদেশে পাচার হওয়া ১ হাজার ১শ ৬৭ কোটি টাকা জব্দ করেছে দুদক। কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় ও সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ব্যাংকের ২৯টি একাউন্টে ছিল এসব টাকা। দুদক বলছে, বিদেশে পাচার হওয়া আরো ১ হাজার কোটি টাকা জব্দের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির তথ্য মতে, দেশ থেকে বিভিন্ন খাতে প্রতি বছর পাচার হয় অন্তত ৫৩ হাজার কোটি টাকা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল কানাডায় পাচার করেছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা। সেই টাকায় কেনা হয়েছিলো বাড়ি। কিছুদিন পর বাড়িটি বিক্রি করে সে টাকা পাচার করা হয় অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানেও কেনা হয় বাড়ি।
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির এসব টাকা বিভিন্ন দেশে পাচার হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। কানাডা ও অস্টেলিয়ায় আবজালের সব ব্যাংক একাউন্ট জব্দের জন্য অনুরোধ করে চিঠি দেয়া হয়েছে। এছাড়া অস্টেলিয়ার বাড়িটিও জব্দের প্রক্রিয়ায় আছে। দেশে বিদেশে সব অর্থ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে গতবছর আবজালকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে দুদক।
আরও কয়েকজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একই পদ্ধতি অনুসরণ করছে দুদক। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত রাজনীতিবিদ ও সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীসহ অন্তত এক ডজন ব্যক্তি রয়েছে। তবে, গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত তাদের নাম প্রকাশ করবে না গোয়েন্দারা।
দুদকের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, দূুর্নীতিবিরোধী বেসরকারি সংস্থা বলছে, দুদকের একাজ প্রসংশাযোগ্য। কিন্ত পাচার হওয়া টাকার তুলনায় জব্দ অর্থ খুবই সামান্য।
এখন পর্যন্ত দুদকের মামলায় সিঙ্গাপুর থেকে আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা ২১ কোটি টাকা ছাড়া আর কোনো টাকা ফেরত আনা সম্ভব হয়নি।
-এটি