নুরুদ্দীন তাসলিম।।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে শিক্ষার্থীরা এ দিনে নানা আয়োজন করে থাকেন। শিক্ষার্থীদের কাছে দিনটি র্যাগ-ডে নামেও পরিচিত। এক সময় শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগ-ডে পালন করা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এসএসসি, এইচএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠানকেও র্যাগ-ডে হিসেবে পালন করতে দেখা গেছে।
আজ থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় উপলক্ষে গত সপ্তাহজুড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের র্যাগ-ডে পালনের খবর পাওয়া গেছে।
এতে ছেলে মেয়ের মাঝে কোন ধরনের পার্থক্য না করে বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি গানে নাচানাচি, একে অপরকে রং মাখিয়ে দেওয়া, অন্যের কাপরে অশালীন বাক্য লিখে দেওয়া-সহ বেশকিছু ঘটনা চোখে পড়েছে যা দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিরোধী। তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতাও ছিল ব্যাপক। কোন কোন প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানির মত অপ্রীতিকর ঘটনাও সামনে এসেছে।
শিক্ষাঙ্গনে এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে অনেকেই সমালেঅচনা করেছেন, কেউ বলেছেন, এক সময় কত সুন্দর করে স্কুলের শেষ দিনটি পালন করতাম। স্যারের দোয়া নিতাম, শিক্ষাঙ্গনে একসাথে দীর্ঘ সময় কাটানো বন্ধুরা একে অপরকে ছেড়ে যাওয়ার কষ্টে চোখের পানি চলে আসতো। সামনে পরীক্ষার কথা চিন্তা করে সবাই দোয়া-মুনাজাতে লিপ্ত থাকতো। বিভিন্ন ধরনের খাবারের আয়োজন হতো। অথচ আজ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে আমাদের নীতি-নৈতিকতা ও সংস্কৃতি!
এসব দেখে কেউ আবার বলেছেন, নৈতিকতা ও সংস্কৃতি যখন আধুনিকতার নামে বন্দী করা হয়েছে, তখন অপসংস্কৃতির ভয়ানক অপব্যবহার গ্রাস করে নিচ্ছে শিশু-কিশোর তরুণ-যুবকদের। একসময় এসএসসি পরীক্ষা দিতে যাওয়া শিক্ষার্থীরা বড়দের দোয়া এবং ধর্ম পালন করে ভালো রেজাল্টের চেষ্টা করত; আজ সেখানে গান নাচ নষ্টামির মাধ্যমে উল্লাস করতে দেখা যায় র্যাগ-ডে নামক অনুষ্ঠানে।
‘শিক্ষাঙ্গনে বিজাতীয় সংস্কৃতি বন্ধে বিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনের পদক্ষেপই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে’ বলে মতামত দিয়েছেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির প্রফেসর শাহেদ হারুন।
তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের কারণেই বুয়েট এবং বেশকিছু বিদ্যালয়ে এসব বন্ধ হয়েছে’।
‘তারুণ্য উন্মাদনা ও পাগলামিরই অংশ' এই উদ্ধৃতি টেনে তি