নুরুদ্দীন তাসলিম।।
তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ২৮ নভেম্বর। এতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামসহ বেশ কয়েকটি ইসলামী দলের আলেম ও সাধারণ প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ইমাম ,খতিব ও বক্তা মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ আজাদীর বিজয়ের মাধ্যমে শুরু হয় আলেম ও ইসলামী দলের প্রার্থীদের বিজয়ের ধারা। যা অব্যাহত ছিল সর্বশেষ তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনেও।
তৃণমূলে আলেমদের এই বিজয়কে ইতিবাচকভাবে দেখছেন ইসলামপ্রিয় লোকজন। এর মাধ্যমে সাধারণের সঙ্গে আলেম ও ইসলামপন্থীদের সম্পৃক্ততার দ্বার আরো প্রসারিত হচ্ছে বলে মন্তব্য অনেকের।
ইউপি নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের জয়: কী বলছেন ইসলামি রাজনীতিবিদেরা?
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেন, জনগণ একে একে সবাইকে বিজয়ী করে এসছে। কিন্তু তাদের ভাগ্যের চাকা কখনো ঘুরেনি, হতাশা আর বঞ্চনাই সবশেষে সঙ্গী হয়েছে। তাই মানুষের রুচিবোধ বদলেছে, চেতনার দ্বার খুলেছে, তারা এখন ইসলামপন্থী ও আলেমদের বিজয়ী করছেন।
তিনি মনে করেন, ‘এ ক্ষেত্রেও জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজেদের মতো করে প্রার্থী নির্বাচন করতে পারছেন না; সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের সুযোগ না থাকায়। তবে বিতাড়িত হতে হতে সময় ও পরিস্থিতিই এখন জনগণকে তাদের সেরাটা নির্বাচন করতে শিখিয়েছে’ বলেন তিনি।
মানুষের এই রুচিবোধ ও মানসিকতার পরিবর্তন একটি আদর্শিক বিজয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া বলেছেন, ইউপি নির্বাচনে আলেম প্রার্থী ও সাধারণ প্রার্থীর জয়ের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হলো ইসলামী দলগুলোর প্রার্থীরা কতটা জয়ী হচ্ছেন, কতটা সমর্থন পাচ্ছেন। কারণ ইসলামি দলগুলোতে আলেম প্রার্থীর বাইরে, সাধারণ ইসলামপন্থী প্রার্থীও রয়েছে।
তিনি বলেন, ইসলামী দলগুলো যেহেতু একটা আদর্শ লালন করে; তাই এখানে মূল বিষয় হল এই আদর্শধারী প্রার্থীরা কতটা মূল্যায়িত হচ্ছেন জনগণের কাছে।
‘ইসলামপন্থীদের জয় সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও অনাচার দূর করতে সহায়ক হবে। এক সময় আলেমরা শুধু জাতীয় নির্বাচনক