[জামিয়া দারুল উলুম করাচির মুখপাত্র ‘ماہنامہ البلاغ মাহনামা আল-বালাগ’ এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিশ্বনন্দিত আলেম, স্কলার আল্লামা তাকি উসমানির আত্মজীবনী আওয়ার ইসলামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।
এ বিষয়ে আল্লামা তাকি উসমানি আনুষ্ঠানকিভাবে আওয়ার ইসলামকে ভাষান্তর করে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। গত ২ জানুয়ারি জামিয়া দারুল উলুম করাচির তাখাসসুস ফিল ইফতার শিক্ষার্থী, আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের শুভাকাঙ্ক্ষি উমর ফারুক ইবরাহীমীর মাধ্যমে আল্লামা তাকি উসমানি ও পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মজীবনী ‘ইয়াদে’ অনুবাদের অনুমতি চাওয়া হলে তারা খুশি মনে রাজি হন এবং আওয়ার ইসলামকে ধন্যবাদ জানান বাংলাভাষায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য।
আল্লামা তাকি উসমানির নতুন ধারাবাহিক আত্মজীবনী یادیں ইয়াদেঁ মাহনামা আল-বালাগে সফর ১৪৩৯ হিজরি, নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি মাস থেকে। আওয়ার ইসলামে লেখাটি প্রতি রোববার ও বুধবার প্রকাশ হবে ইনশাল্লাহ। আজ ছাপা হলো ৫৫ তম কিস্তি। অনুবাদ করেছেন মুহাম্মদ উমর ফারুক ইবরাহীমী।]
পূর্ব প্রকাশের পর: আল্লামা শাব্বির আহমাদ উসমানি রহ. এর মাকবারা সংলগ্ন জায়গায় দারুলউলুম স্থানান্তরিতকরণ।
সে বছর (১৩৭৪ হিজরি মোতাবেক ১৯৫৫ ইংরেজি সন) দারুলউলুম নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার অবতারণা হয়েছিল। এখানে তার ঈষৎ বিবরণ দেয়া জরুরি মনে করছি।
সেসময় পর্যন্ত করাচিতে দারুল উলুম ভিন্ন আর কোন দ্বীনি মাদরাসা ছিলনা। স্বভাবতই দারুল উলুমের ছাত্রসংখ্যা খুব দ্রুতই বেড়ে চলছিল। এক পর্যায়ে দেখা গেলো দারুল উলুম নানোকওয়াড়া শাখায় ছাত্র সংকুলান হচ্ছেনা। তাই সবাই কোন প্রশস্ত জায়গায় দারুল উলুম স্থানান্তরিত করার তীব্র প্রয়োজনবোধ করছিলেন।
এই প্রয়োজনীয়তা আব্বাজানের চেয়ে বেশি আর কে অনুভব করবেন!? সুতরাং তিনি সবসময় একটি প্রশস্ত জায়গার অনুসন্ধান ও ফিকিরে থাকতেন। দীর্ঘ অপেক্ষা ও মেহনতের পর হযরত আল্লামা শাব্বির আহমাদ উসমানি রহ. মাকবারা সংলগ্ন একটি সুবিশাল পরিত্যক্ত ময়দানের সন্ধান পাওয়া গেল।
পরিত্যক্ত সেই জমিটির মালিকানা লাভ এবং পরবর্তীতে মালিকানা ছেড়ে দেয়ার ঘটনাটি আব্বাজানের জীবনের একটি অন্যতম আশ্চর্যান্বিত ঘটনা।
যার ব্যাপারে আমি আমার শায়েখ হযরত ডক্টর আব্দুল হাই আরেফি রহ., হযরত মাওলানা সায়্যিদ মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরি রà¦