রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সৌদি আরবকে অনুমতি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি স্বর্ণযুগের অর্থনৈতিক উদ্ভাবন ও আধুনিক ব্যাংকিং সাংবাদিক ইলিয়াসের কুরুচিপূর্ণ প্রচারণার নিন্দা জানাল হেফাজতে ইসলাম তৃণমূলকে আরও সক্রিয় করার আহ্বান বিকেএম মহাসচিবের হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়ার কেন্দ্রীয় ‘আসাতিযা সম্মেলন’ ৬ আগস্ট মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদের সম্পর্কের অনন্য অধ্যায় সংস্কার নয়, মূল টার্গেট মাদরাসাব্যবস্থাকেই আঘাত করা ‘শাপলা শহীদদের লাশ গুমের অপচেষ্টা হয়েছিল, এজন্য অনেকের সন্ধান পাওয়া যায়নি’ প্যারিসের গ্র্যান্ড মসজিদের শতবর্ষ উদযাপন

আলোচনায় মাধ্যমে সংকট সমাধানের তাগিদ ড. কামালের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আলোচনার মাধ্যমে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গণফোরাম নেতারা ক্যাম্পাসে এলে তাদের সাথে ফোনে কথা বলার সময় আলোচনার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সৃষ্ট অচলাবস্থা নিরসনে তাগাদা দেন ড. কামাল হোসেন।

এর আগে, ড. কামাল হোসেনের প্রতিনিধি হয়ে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে যান গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট-২ আসনের সাংসদ মোকাব্বির খাঁন। এসময় তিনি ফোনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদেরকে ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব করলে শিক্ষার্থীরা তা নাকচ করে দেন। ড. কামাল হোসেনের সাথে ফোনে কথা বলেননি আন্দোলনকারীরা।

এদিকে, শিক্ষক সমিতির দেয়া আলোচনার প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এমনকি শিক্ষক প্রতিনিধিদের উপাচার্যের বাসভবনে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

খাবার নিয়ে শাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাসসহ নেতারা উপাচার্যের বাসভবনে যেতে চাইলে পথরোধ করে আন্দোলনকারীরা। পরে খাবার পরীক্ষা করে পুলিশের মাধ্যমে উপাচার্যের বাসভবনে পাঠানো হয়।

এদিকে, দাবি না আদায় হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় অনড় রয়েছে আন্দোলনকারীরা। এদিকে, ৩০ ঘণ্টা পর সোমবার রাতে উপাচার্যের বাসভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে গত ১৩ জানুয়ারি রাত থেকে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ওই হলের কয়েক’শ ছাত্রী। সেই আন্দোলনের এক পর্যায়ে জাফরিন আহমেদ পদত্যাগ করেন। এর মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে। নতুন দাবি যুক্ত করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

গত ১৬ই জানুয়ারি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে আইসিটি ভবন থেকে উপাচার্যকে উদ্ধার করে পুলিশ।

তবে ওই ঘটনার পর অজ্ঞাত কয়েক’শ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। সেই মামলা প্রত্যাহার এবং উপাচার্যের পদত্যাগের নতুন এক দফা দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন শিক্ষার্থীরা। এরপর গেল বুধবার উপাচার্যের বাস ভবনের সামনে অনশনে বসে ২৪ শিক্ষার্থী।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ