মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ১ শাবান ১৪৪৭


মাহবুব তালুকদারের চিকিৎসায় ইসির বছরে ব্যয় ৪০-৪৫ লাখ, মন্তব্য সিইসির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের চিকিৎসায় নির্বাচন কমিশনকে বছরে ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে— এমনটা উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

আজ বৃহম্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশন নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকদের সংগঠনের ‘আরএফইডি টক’ অনুষ্ঠানে মাহবুব তালুকদারের চিকিৎসা খরচের এ হিসাব দেন সিইসি।

আরও জানান, কমিশনারদের চিকিৎসা ব্যয় নির্বাচন কমিশন থেকে বহন করা হয়, তাই মাহবুব তালুকদার ইসি থেকে টাকা পেয়েছেন।
জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মাহবুব তালুকদার নানান সময় কমিশনের সমালোচনা করেছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সিইসির তরফ থেকে পাল্টা মন্তব্যও এসেছে।

এদিন সিইসি নূরুল হুদা বলেন, ‘উনার ব্যক্তিগত এজেন্ডা থাকে। তিনি একজন অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। কখনো আইসিউ, কখনো সিসিইউতে থাকেন। সিঙ্গাপুর ও ভারতে উনাকে চিকিৎসা নিতে হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ৪০-৪৫ লাখ টাকা খরচ হয়। এটা নির্বাচন কমিশন বহন করে।’

‘ইসি বাঁচাতে’ জরুরিভাবে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে— গত অক্টোবরে এমন মন্তব্য করেন মাহবুব তালুকদার। এখন নূরুল হুদা বলছেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থা সিসিইউ-আইসিইউতে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই আইসিউ, সিসিইউ-এর কথাগুলো তিনি নিজের অসুস্থতার ওখান থেকে কোট করে এনেছেন বলে মনে হয়।’

সিইসি বলেন, ‘কোনো নির্বাচন হলে বা আমাদের কোনো অনুষ্ঠান হলে তিনি ৬-৭ দিন পর্যন্ত বেছে বেছে বের করেন, কোন শব্দটা কোন জায়গায় বলা যায়। যেটা মিডিয়ায় কাভারেজ হয়। উনি ব্যক্তিগতভাবে যেটা বলেন, সেটা উনার ব্যক্তিগত মতামত।’

‘বিনা ভোটের নির্বাচন’ নিয়ে মাহবুব তালুকদারের মন্তব্যের সমালোচনা করে সিইসি বলেন, ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলে ইসির কী করার আছে। এটা তো প্রার্থীদের সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। বিনা ভোটে নির্বাচিত কেন হলো, এটা দেখার কোনো এখতিয়ার ইসির নেই।’

এ দিকে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ফেব্রুয়ারিতে। ইতিমধ্যে নতুন ইসি গঠনের তোড়জোর শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল ২০২২’। এখন রাষ্ট্রপতির সই করার পর গেজেট আকারে প্রকাশ হলেই প্রথমবারের মতো প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে আইন পাবে বাংলাদেশ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ