আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সিনহা হত্যা মামলার যুক্তি তর্ক শুনানী সমাপ্ত হয়েছে গত ১২ জানুয়ারি। যুক্তি তর্ক শেষে ৩১ জানুয়ারি (সোমবার) রায়ের জন্য দিন ধার্য্য করেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাঈল।
মামলার বাদী নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌসের কামনা, প্রধান দুই আসামি প্রদীপ-লিয়াকতের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক সাজা হবে। বাকি আসামিদের সাজা হোক যার যার অপরাধের ভিত্তিতে। এরমাধ্যমে একই সঙ্গে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডও বন্ধ হবে বলে আশা করেন তিনি।
টেকনাফের ওসি থাকাকালীন নিজের দুই মেয়েকে প্রদীপ ধর্ষণ করেছে দাবি করে এক ভুক্তভোগী নারী বলেন, মেজর সিনহা হত্যার রায়ের দিন নির্ধারিত হওয়ার পর থেকে প্রদীপের যেন ফাঁসি হয় এজন্য তিনিও রোজা রাখছেন, সালাতুল হাজতের নামাজ আদায় করে যাচ্ছেন।
প্রদীপের অপকর্মের সংবাদ প্রচার করায় নির্যাতনের শিকার হন কক্সবাজারের সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান। তিনি বলেন, মাফিয়া ইয়বা কারবারির হয়ে কয়েকশ’ পরিবারকে নির্যাতন করেছে প্রদীপ ও তার সহযোগীরা। এসব বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন করায় আমাকে ঢাকা থেকে ধরে এনে অস্ত্র, বিদেশী মদ ও ইয়াবা দিয়ে চালান দেয়া হয়। এর আগে চালানো হয় নির্যাতন। চোখে দেয়া হয় মরিচের গুড়া। সিনহা হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে, সহযোগী অপরাধ হিসেবে আমিসহ অন্য নির্যাতনের বিষয়টি আদালতের নজরে এসেছে। আমরা চাই তার সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি হোক।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১শে জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
-এএ