বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

দুই বছর পর ফের যে জরুরি বার্তা দিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঠিক ২ বছর আগে আজকের দিনেই বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস অ্য়াডানম গেব্রেয়েসুস ঘোষণা করেছিলেন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এক জরুরী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বার্তায় কেঁপে উঠেছিল গোটা বিশ্ব। মাঝে পেরিয়ে গিয়েছে এতগুলো দিন। এক অন্যরকম বিশ্ব দেখেছে মানব সমাজ। চোখের সামনে প্রিয়জনকে ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে করোনার থাবা।

করোনা পরিস্থতির এক অদ্ভূত সন্ধিক্ষণে এসে হু প্রধান টুইট করে জানিয়েছেন, প্রতি দেশের ৭০ শতাংশ মানুষকে যদি টিকা দেওয়া যায়, ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের উপর যদি বাড়তি নজর দেওয়া যায়, সমস্ত রকম স্ট্র্যাটেজি যদি প্রয়োগ করা যায় তবে এই বছরই কোভিডের চূড়ান্ত পর্যায়ের সমাপ্তি ঘোষণা করা সম্ভব। জানিয়ে দিলেন হু প্রধান।

সেই সঙ্গেই একটি ভিডিও টুইট করেছেন তিনি। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২ বছর পরে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৩৮ কোটি আক্রান্তের খবর মিলেছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৪৭ লাখ মৃত্যু হয়েছে এখনও পর্যন্ত। আমরা জানি এই হিসাবে বাস্তবের চেয়ে অনেক কম দেখানো হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি ৩ সেকেন্ডে ১০০টি করে আক্রান্তের খবর এসেছে। প্রতি ১২ সেকেন্ডে একজন করে মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে কোথায় আমরা দাঁড়িয়ে আছি? কখন এ মহামারী শেষ হবে? এটা সত্যি যে আমাদের কোভিড-১৯কে সঙ্গে নিয়েই বাঁচতে হবে ভবিষ্যতে। তবে কোভিডকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচা মানে এটা নয় যে কোভিড ভাইরাসকে আমরা আরও বাড়তে দেব। তার মানে এটা নয় যে প্রতি সপ্তাহে ৫০ হাজার মৃত্যু আমাদের মানতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আমাদের এই বোঝা বইতে হবে যেখানে ক্রমেই ক্লান্ত হয়ে ফের কাজে নেমেছেন স্বাস্থ্যকর্মী, এটা নয়।

তিনি বলেন, তবে তার মানে এটা নয় যে আমরা কোভিডের ফলাফলকে এড়িয়ে যাব, যা আমরা পুরোপুরি বুঝতে পারিনি। তার মানে এটা নয় যে আমরা ভাইরাস নিয়ে বাজি ধরছি যেটির পরিবর্তন আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে বা রুখতে পারি না। ওমিক্রনই শেষ ভ্যারিয়ান্ট এটা বলাও বিপজ্জনক। আর খেলার শেষের দিকে আমরা। চূড়ান্তভাবে মহামারী শেষ করাটা আমাদের সকলের প্রচেষ্টার উপর নির্ভর করছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ