সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭


হাওরের উড়াল সেতু হবে একটা আইকনিক প্রকল্প: পরিকল্পনামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সুনামগঞ্জের হাওরের ওপর দিয়ে উড়াল সেতু হবে একটা আইকনিক প্রকল্প। এ সেতু স্থাপিত হলে জেলায় অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে সাফল্য আসবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের নতুন মডেল স্থাপিত হবে। এছাড়া খুব অল্প সময়ের মধ্যে হাওরে উড়াল সড়ক নির্মাণ কাজও শুরু হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ‘হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গৃহীত স্কিম সংক্রান্ত’ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, হাওরে উড়াল সেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাথা থেকে এসেছে। এটা আমরা কখনো কল্পনাও করতে পারিনি। এই প্রকল্পটি আমরা অত্যন্ত স্পর্শকাতর জায়গায় করছি। হাওর হলো আমাদের মা, মায়ের বুকের ওপর দিয়ে কাজ হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী বারবার আমাদের সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি আমাদের বলেছেন, একটি হিজল-করচগাছও যেন নষ্ট না হয়, মাছের যেন কোনো ক্ষতি না হয়। তার প্রতিটি নির্দেশনা মেনেই আমরা কাজ করব।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের নিয়ে এ প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপি এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে হাওরে উড়াল সড়কের কাজ শুরু হবে। ভবিষ্যতে এ সড়কটি আমাদের রাষ্ট্রপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদের জন্ম জেলা কিশোরগঞ্জের ইটনা-মিঠামইন সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। দুটি জেলাকে কীভাবে সংযুক্ত করা যায় বিষয়টি স্টাডি করা হচ্ছে।

এম এ মান্নান আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর স্নেহ আছে, দায় আছে, দেশপ্রেম আপনার আমার চাইতে আলাদা। তিনি সবকিছু হৃদয় দিয়ে অনুভব করেন। হাজার হাজার স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের সবার উচিত শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়ানো।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে তিন হাজার ৪৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে উড়াল সেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি।

চলতি বছরের শুরু দিকে এ মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হবে এবং ২০২৬ সালে উক্ত কাজ সমাপ্ত করার কথা রয়েছে।এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভপুর, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা উপজেলাসহ নেত্রকোনা জেলার কয়েকটি উপজেলার যোগাযোগের ক্ষেত্রে মাইলফলক সৃষ্টি হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ