সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ৩০ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে যেতে মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর সামনে যত চ্যালেঞ্জ সিলেট-৩ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দীন রাজু পবিত্র শবে বরাত কবে, জানালো চাঁদ দেখা কমিটি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ভোট দিতে কেউ বাধা দিলে সে শেখ হাসিনা হয়ে যাবে: আসিফ নজরুল বক্তৃতা চলাকালেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন জামায়াতের জেলা আমির মাওলানা মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে হাতপাখার বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ’ ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য  জয়-পরাজয়ের হিসাব নয়, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিন: শায়খ আহমাদুল্লাহ

আওয়ার ইসলাম সম্পাদকের মামীর ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুবের মামী মোসা. আছমা বেগম ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‍প্রায় সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থেকে তিনি শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে মৃত্যু বরণ করেন। আজ (রোববার) দুপুর ২.৩০ মিনিটে তার সাবেক কর্মস্থল কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের হিলচিয়া স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

আরো জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি (শুক্রবার)  গ্রামের বাড়ি বাজিতপুরের হিলচিয়ায় তিনি আকষ্মিকভাবে আগুনে দগ্ধ হোন। এরপর স্থানীয় ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে তাকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। কিন্তু শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ২৩ জানুয়ারি রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে মোসা. আছমা বেগম ছিলেন ৩মেয়ে ও একছেলের জননী। তাদের মধ্যে দুই মেয়ে চিকিৎসক পেশায় নিয়োজিত। তাছাড়া তিনি হিলচিয়ার সমাজ সেবক ও চিকিৎসক ডা. শাহজাহানের স্ত্রী।

তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবার।

এদিকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আওয়ার ইসলাম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘আমার মামী ও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা মোসা. আছমা বেগম ছিলেন একজন  গুণী শিক্ষিকা, আদর্শ মা ও সচেতন অভিভাবক। দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষকতার পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মফস্বলে শিক্ষার আলো বিস্তারে তার অবদান অস্বীকার্য। এছাড়া তিনি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন। সমাজসেবায় নিজেকে নিবেদিত করেছেন। তার মতো এমন গুণীজনকে হারিয়ে আমি ব্যথিত ও মর্মাহত। আল্লাহ যেন তার জীবনের সবভুল ক্ষমা করে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করেন সেই কামনা করি। পাশাপাশি তার রুহের মাগফেরাতের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই।’

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ