আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশের সব স্তরের মানুষকে টিকার আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে করোনার টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। এক বছরে সে লক্ষ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
তিনি বলেন, এক বছরে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ১০ কোটি মানুষকে, যা করোনার টিকা নেওয়ার মতো ব্যক্তিদের ৮২ শতাংশ।
সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান। তিনি জানান, দেশে দ্বিতীয় ডোজ পৌনে সাত কোটি মানুষকে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৬ লাখ।
মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত দেড় কোটি শিক্ষার্থীকে করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ২৬ লাখ শিক্ষার্থী। পাশাপাশি শুরু হয়েছে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের টিকাদান।
তিনি বলেন, ১২-১৮ বছরের কওমি শিক্ষার্থীরা পাবে ফাইজার আর ১৮ বছরের বেশি হলে মিলবে সিনোফার্মের টিকা। প্রথম দিনে প্রায় ছয়শ’ শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনা হবে।
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বুস্টারসহ সবাইকে টিকা দেওয়া শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন জাহিদ মালেক। এ সময় করোনা টিকার জন্য এ পর্যন্ত ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচের তথ্য দেন।
-এএ