আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন গঠনে নাগরিক সমাজের মতামত নেবে সার্চ কমিটি। এ ছাড়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে চিঠি দিয়ে তাদের পছন্দের নাম চাওয়া হবে।
আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে সার্চ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।
আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে প্রধান করে গঠিত অনুসন্ধান কমিটিতে সদস্য হিসেবে বৈঠকে ছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক।
বৈঠক শেষে অনুসন্ধান কমিটিকে সাচিবিক সহায়তার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সিদ্ধান্তগুলো সাংবাদিকদের জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ৬০ জনের মতো বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠকে বসবে অনুসন্ধান কমিটি। আগামী শনি ও রোববার এ বৈঠক হবে। এ ছাড়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে বুধবারের মধ্যে চিঠি দিয়ে নাম চাওয়া হবে। দলগুলো শুক্রবারের মধ্যে তাদের প্রস্তাবিত নামগুলো জমা দিতে পারবে।
আইন অনুযায়ী, এই সার্চ কমিটি নতুন ইসি গঠনের জন্য যোগ্য দশজনের নাম প্রস্তাব করবে। সেই নাম থেকে পাঁচজনকে বেছে নিয়ে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন ত্রয়োদশ নির্বাচন কমিশন। সেই ইসির ওপরই থাকবে আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ভার।
সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন পাসের পর গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠন করে দেন। নাম প্রস্তাব করার জন্য সার্চ কমিটিকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে আইনে। তার আগেই ১৪ ফেব্রুয়ারি পূর্ণ হচ্ছে কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ।
আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটির হাতে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় থাকলেও ‘প্রয়োজনে’ ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার ইঙ্গিত এসেছে।
-এটি