প্রায় অর্ধ যুগ ধরে আরবি ভাষার অনন্য ভূবন ‘জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহ.’ কওমি অঙ্গনে আরবি ভাষার মানোন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কার্যকরী কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ছাত্রদের মাঝে কোরআনী ভাষার স্বচ্ছ আলো বিলিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির তুলনা হয় না।
এরই ধারাবাহিকতায় চলমান আরবি সাহিত্য বিভাগের পাশাপাশি ‘জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহ.’ এর আঙ্গিনায় যুক্ত হচ্ছে নতুন কিছু বিভাগ। বিভাগগুলো হলো- মিযান, নাহুমীর, হেদায়াতুন্নাহু ও কাফিয়া। ‘ছোটদেরকে আরবি পড়তে উৎসাহী করা চাই’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নতুন যুক্ত হওয়া প্রতিটি বিভাগেই থাকবে আরবি ভাষার নির্মল ভূবনের অকৃত্রিম ছোঁয়া। থাকবে আধুনিক ও কাদিম আরবির অপূর্ব সমন্বয়। আরবি বলা ও লেখার দুর্বলতা এবং জড়তা দূর করণে নেয়া হবে কার্যকরী পদক্ষেপ। ইনশাআল্লাহ।
আমরা অনেকেই সংকল্প করি টেনেটুনে দাওরাটা পাশ করি; এরপর আদব আরবিতে ভাল দক্ষতা অর্জন করবো। আসলে এর বাস্তবতা কতটুকু! দাওরায়ে হাদিস পাশ করে আরবি পড়ার মনসিকতা কতখানিই বা থাকে? এক বছর!! এক বছরে কী অর্জন হয়? অনেক কিছু হয় কিন্তু অনেক কিছুই বাকি থেকে যায়। মিযান থেকে শুরু করে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে ভাল একটা পুঁজি নিয়ে না আসতে পারলে, এক বছরে বেশি কিছু অর্জন সম্ভব নয়। এর বাস্তব প্রমাণ আমাদের ছাত্ররাই। সুতরাং একটা ছাত্র নিচের ক্লাসে থেকেই আরবি চর্চায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠা শিক্ষাজীবনে (অবহেলিত হলেও) অপরিহার্য।
জামিয়ার কিতাব বিভাগে যাদেরকে আমন্ত্রণ:- যারা কাদিম নেসাব (দরসে নেযামি) পড়েও আধুনিক আরবিতে দক্ষতা অর্জন করতে চান। প্রাথমিক ক্লাসগুলো থেকেই যারা আরবি ইবারত পড়ার যোগ্যতা অর্জন করতে চান। দূর করতে চান আরবি ভীতি। আপন করতে চান কোরআন হাদিসের এ ভাষাকে।
‘জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রহ.’ এর কিতাব বিভাগের কিছু বৈশিষ্ট্য
মিযান জামাত:-
১. মিযান জামাতে সরফের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে।
২. প্রথম দুই মাসের মধ্যেই সরফ ভালো করে আত্মস্থ করানো হবে।
৩. প্রথম দুই মাসে অন্য কোনো বিষয় থাকবে না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শুধু সরফের আলোচনা, তামরীন ও গর্দান চলবে।
৪. দুই মাস পর সরফের জন্য দুই ঘন্টা à¦