শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাল ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে বয়ান করবেন শায়খ ইলিয়াস গুম্মান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ মাসব্যাপী আরবি ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স হাসনাতের বক্তব্যে মধ্যরাতে উত্তাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সিলেট মহানগর খেলাফত মজলিসের তরবিয়তি মজলিস অনুষ্ঠিত জাতীয় সিরাত সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার নিবন্ধনের সময় বাড়ল ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে ইসলামি বইমেলা অসুস্থ প্রবীণ আলেম মাওলানা সুলাইমান নোমানীর শয্যাপাশে আমিরে মজলিস নতুন ধারাবাহিক অনুষ্ঠান নিয়ে আসছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ দুই পবিত্র মসজিদ নিয়ে উদ্ভাবনী ধারণা আহ্বান, বিজয়ীদের মিলবে নগদ পুরস্কার বাসযোগ্য শহর গড়তে ঢাকাকে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

খুলনায় মহিন্দ্রাচালক হত্যায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: খুলনায় মাহিন্দ্রাচালক শেখ ওহিদুর রহমান রিপন হত্যায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৯শে মার্চ) খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস এম আশিকুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির হলেন- কিশোরগঞ্জের ইলচ্চাবাজার সাদির চর গ্রামের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ নুর ইসলাম, একই এলাকার হরিদাসের ছেলে জনি দাস, চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার ফল সমস্যাবাজার এলাকার আব্দুর রউফ সিকদারের ছেলে মো. রনি শিকদার ও খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার আইয়ুব আলী মোল্লার ছেলে মোহাম্মদ মাসুদ রানা মোল্লা।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহমেদ জানান, ২০১৬ সালের ১১ই জানুয়ারি সকালে মাহিন্দ্রাচালক বাড়ি থেকে বের হন। পরে রাতে ঘরে না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করেন।

পরদিন সকালে মহানগরীর লবনচরা এলাকার একজন মাহিন্দ্রাচালকের মরদেহ পাওয়া যায় বলে স্বজনরা জানতে পারেন। পরে নিহতের ভাই খুলনায় এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় আটক চারজনের নামে মামলা করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় মাহিন্দ্রাচালককে নিয়ে খুলনার দিকে রওনা দেন। পথে রাত ৯টার দিকে মাসুদ ও রনি রাশি দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করেন।

তার মৃত্যু না হলে নুর ইসলাম রিপনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামিরা মরদেহ ওই স্থানে ফেলে মাহিন্দ্রা নিয়ে পালিয়ে যান। পরে গোপালগঞ্জ এলাকার কাশিয়ানি চেকপোস্টে তারা আটক হয়। একপর্যায়ে তারা হত্যাকাণ্ডের কথা পুলিশের কাছ স্বীকার করেন।

একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মীর আতাহার আলী ৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলা চলাকালীন ১৫ জন স্বাক্ষ্য দেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ