আদিয়াত হাসান: বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের ৪৫তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে গতকাল ৩০ এপ্রিল শনিবার। বরাবরের মতো এবারও ঈর্ষণীয় ফলাফল করেছে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় অবস্থিত জামিয়াতুস সুন্নাহ। প্রতিষ্ঠানটি এবার বেফাকে মোট মেধাস্থান পেয়েছে ৩৫৫টি। এর মাঝে ফজিলত মারহালায় ৮ টি। সানাবিয়া মারহালায় ১৬ টি। মুতাওয়াসসিতাহ ১০৩ টি। ইবতিদাইয়া ২০৬ টি। আর হিফজ মারহালায় ২২টি।
মেধা তালিকার শীর্ষে থাকা এ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা নেয়ামাতুল্লাহ আল ফরিদী আওয়ার ইসলামকে বলেন, ‘আমরা আল্লাহর শোকর আদায় করছি। আমাদের ছাত্র ও শিক্ষকদের যৌথ মেহনতের ফসল আজকের ফলাফল। আমরনা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেনো এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারি তার জন্য বিশেষ দোয়া চাচ্ছি।’
টানা ১১ বছর নিজেদের প্রথম স্থানে ধরে রাখার মতো কঠিন বিষয়টি কিভাবে সম্ভব হলো? জানতে চাইলে জামিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী বলেন, মাদরাসার শিক্ষকগণ শতভাগ আবাসিক। তারা ছাত্রদের সার্বক্ষণিক নেগরানি করেন। শিক্ষকদের নিবিড় পরিচর্যা ও তত্ত্বাবধানই ভালো ফলাফলের মূল রহস্য।
‘সাথে সাথে আমাদের মাদরাসায় ঠিক মতো ক্লাস হয় এবং ক্লাসে সবক বুঝে নেয়া হয়। ছাত্ররাও শিক্ষকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিশ্রম করে।’- জানান, মাওলানা ফরিদী।
ভালো ফলাফলের জন্য ভালো ছাত্র নির্বাচন করা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ? উত্তরে তিনি বলেন, ভালো ফলাফল তো ভালো শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই হয়। ছাত্র নির্বাচন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রত্যেক জামাতে ছাত্র ভর্তির সময় সবচেয়ে যোগ্য ছাত্রদের নির্বাচনের চেষ্টা করি। তবে শুধু পরীক্ষা ভালো করবে এমন ছাত্র খুঁজি না। বরং ভালো কিতাব বুঝে, আমল আখলাক ভালো এমন ছাত্রকেই আমরা প্রাধান্য দেই।
মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী জানান, জামিয়াতুস সুন্নাহ কিভাবে ছাত্রদের প্রস্তুত করে; বিশেষত পরীক্ষার জন্য। ‘ভর্তির জন্য যে ন্যূনতম মার্কস পাওয়া আবশ্যক, তা পেলেই আমরা ছাত্রদের ভর্তি করিয়ে নেই। তা কিন্তু একশো তে আশি নয়। এরপর ছাত্রদের পেছনে আমরা সর্বোচ্চ শ্রম ব্যয় করি। শিক্ষকদের শ্রম ও ছাত্রদের আন্তরিক চেষ্টায় একজন ছাত্র ধীরে ধীরে যোগ্য হয়ে ওঠে। একটি ছেলে যে মাকবুল (পাশ মার্কস পাওয়া) à