সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

দ্যা গ্রেটেস্ট প্রফেট মুহাম্মদ সা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।এনায়েতুল্লাহ ফাহাদ।।

'মুহাম্মদ'। নিছক প্রিয় একটি নাম নয়, বরং একটি আদর্শ। একটি চেতনা। একটি বিপ্লব। যে নাম প্রতিটি মুমিনের কাছে খুবই প্রিয় ও পরিচিত। নামটির সাথে আলিঙ্গন করে আছে হৃদয়ের প্রতিক্ষণ। যে নামটি জপিলে কণ্ঠে সুধা অনুভব হয়। যার জীবনবৃত্তান্ত শুনলে পশম শিউরে উঠে। যিনি উম্মতের দরদী নবী ও জাতির রাহবার। তিনি দো-জাহানের সরদার হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

যখন কুফর ও জাহিলিয়াতের অন্ধকারে আচ্ছন্ন পৃথিবী। চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। নেই কোন আলোর দিশা। অন্যায় অত্যাচারে অস্থির সমাজ। মানুষের এমন ক্লান্তিলগ্নে বসুধাকে আলোকিত করার লক্ষ্যে ; সমাজ অবক্ষয়ের চরম বিপর্যয় রোধ করার জন্য আল্লাহ তা'য়ালা মানবতার মুক্তির দূত মুহাম্মদ সা.কে দুনিয়াতে প্রেরণ করেন।

বিশ্বনবী এর আগমন কোনো আকস্মিক বিষয় ছিল না; বরং সৃষ্টির সূচনা থেকেই মহাজগৎ তাঁর আগমনের অপেক্ষায় ছিল।যেমনভাবে এ সুভাগমণের বার্তা তাওরাত,যাবুর ও ইঞ্জিলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থে রয়েছে। তাওরাতে সুস্পষ্ট রাসুলুল্লাহের আগমণের বার্তা—‘নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক ও ইলাহ আমার মতো একজন নবী প্রেরণ করবেন ইব্রাহিম (আ.) এর বংশধর তোমাদের ভাইদের মধ্য থেকে।’ (আল মারজাউ ফি সিরাতুন-নাবাবিয়্যা, পৃষ্ঠা ৬৬)

ইঞ্জিলে সুভাগমণের বার্তা — ‘তোমাদের বলার আমার আরো অনেক কথা আছে। কিন্তু তোমরা এখন তা সহ্য করতে পারবে না। যখন সে সত্য-আত্মা আসবেন, তখন তিনি তোমাদের সত্যের সন্ধান দেবেন। তিনি নিজ থেকে কিছু বলবেন না। যা যা শুনবেন তাই বলবেন এবং ভবিষ্যতের ঘটনাও জানাবেন।’ (প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৮)

রাসুল সা. এর আবির্ভাবে পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ, সমগ্র জগতে নূরের আলো উদ্ভাসিত হয়ে উঠলো। কিন্তু তাঁর মনে ছিল বিষন্ন। কেননা তাঁর জন্মের দুই মাস পূর্বেই সৌভাগ্যবান পিতা হারিয়ে যায়। আট বছর বয়সে হারান দাদাকে। এরপর এতিম হয়ে চাচা আবু তালেবের কাছে লালিত পালিত হতে থাকেন। মা-বাবা থেকে ছোটবেলায় শিক্ষা লাভের সুযোগ না হলেও চাচার সাথে বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণের মাধ্যমে তিনি প্রচুর জ্ঞান অর্জন করেন। অনন্য পাণ্ডিত্য হাসিল করেন। অতঃপর ২৩ বছর বয়সে খোদা তায়ালা কর্তৃক নবুয়ত প্রাপ্ত হোন। মাত্র ২৩ বছরের স্বল্পকালীন নবুয়তি জীবনে তিনি মানব জাতিকে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতির এমন উচ্চশিখরে উন্নীত করেছিলেন যে, বিশ্বের ইতিহাসে এমন নজিরবিহীন।

আরম্ভ করলেন দাওয়াতের কাজ। দ্বীনি দাওয়াতের জন্য নবী-রাসূলকে অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। রক্ত ও শহীদের বিনিময়ে পরিবেশ তৈরি করে নিতে হà