।।কাউসার লাবীব।।
দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মুহাদ্দিস রফিক উল্লাহ আফসারী। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় মাছের পোনা অবমুক্ত করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রখ্যাত সুরকার ও নাশিদ শিল্পী মশিউর রহমান। মাছের পোনা অবমুক্তকরণ শেষে মশিউর রহমান, মুহাদ্দিস রফিক উল্লাহ আফসারী এবং তাদের সঙ্গী-সাথীরা উপস্থিত মানুষদেরকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ বিষয়ে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন গীতিকাব্য উপস্থাপন করেন।
মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারির এই কার্যক্রম ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে দেশজুড়ে। তার এই উদ্যোগ দেশের খাল-বিল নদী-নালায় আবারো মাছের জোয়ার বয়ে আনবে বলে আশা করছেন অনেকে।
মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিষয়ে জানতে মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এলাকার বিভিন্ন নদী, খাল-বিলে আগের মতো এখন আর দেশীয় মাছ পাওয়া যায় না। দাদা-নানাদের কাছ থেকে গল্প শুনতাম নদী ভরা মাছের। কিন্তু এগুলো এখন গালগল্প মনে হয়। এর অনেক বড় কারণ হল আমরা মাছ ধরে খাই, কিন্তু এই মাছ কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে দৃষ্টি দেই না। সরকারের বিভিন্ন প্রজেক্ট এর মাধ্যমে দেশব্যাপী পোনা অবমুক্ত করা হয়ে থাকে। কিন্তু সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় দেশের প্রতিটি খাল-বিল নদী-নালায় পর্যাপ্তভাবে পোনা অবমুক্ত করা। আমরা যদি যার যার অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী অল্প কিছু পরিমান হলেও খাল-বিল-নদী-নালায় পোনা ছাড়ি তাহলে দেখা যাবে কয়েক মাসের ব্যবধানে এর সুফল আমরা নিজেরাই ভোগ করব।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আমাদের জন্য তিনি ‘লাহমান তরিয়্যা’ অর্থাৎ তাজা গোশত তিনি রেখে দিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি নদীনালা খালবিলে থাকা মাছের প্রতিও ইঙ্গিত করেছেন। আল্লাহ তালায়া আমাদেরকে এত বড় জলাশয় দিয়েছেন। আমাদের একটু চেষ্টার মাধ্যমে যদি এই জলাশয়গুলোকে কাজে লাগাই তাহলে দেখা যাবে সময়ের ব্যবধানে এগুলো আগের মত মাছে ভরে গেছে। আমরা আবারও মাছে ভাতে বাঙালি হয়ে উঠব। এখন বর্ষার সিজন। আমরা যদি কয়েক শ' টাকায় এক হাজার পোনা কিনে নদীতে ছাড়ি তাহলে দেখা যাবে কার্তিà¦