মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

ইন্দোনেশিয়ায় ইশারা ভাষায় হাফেজ হচ্ছে তারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা শহরের উপকণ্ঠে ‘দারুল আশুম’ মাদরাসাটি অবস্থিত। প্রতিষ্ঠা হয়েছে ২০১৯ সালে।

অন্যান্য মাদরাসার মতো এই মাদরাসা থেকে কখনো উচ্চস্বরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের আওয়াজ ভেসে আসে না। বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের জন্য মাদরাসাটি বিশেষায়িত। এখানকার শিক্ষার্থীরা আরবি ইশারা ভাষার মাধ্যমে পবিত্র কুরআনের পাঠ শেখে, হিফজ সম্পন্ন করে।

সংবাদমাধ্যম ‘মুম্বাই উর্দু টাইমস’ সূত্রে জানা যায়, ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম মন্ত্রাণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বোর্ডিং সিস্টেমে লেখাপড়া করা ইন্দোনেশিয়ার শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি আবশ্যক বিষয়।

প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী দেশের প্রায় ২৭ হাজার মাদরাসায় আবাসিক শিক্ষার্থী। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার ইশারা ভাষার ধর্মীয় এই প্রতিষ্ঠানটি পৃথিবীর সেসব বিশেষ প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত, যারা বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা দিচ্ছে।

‘দারুল আশুম’-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আবু কাহফি বলেন, ‘একটি অদৃশ্য চেতনাবোধ থেকে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করি। যখন জানতে পারলাম ইন্দোনেশিয়া জুড়ে অসংখ্য বধির শিশু রয়েছে, যারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানে না। তখনই আমি প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষায়িত এই মাদরাসা করতে উদ্বুদ্ধ হই।’

৪৮ বছর বয়সী আবু কাহফির সাথে ২০১৯ সালে কয়েকজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুর পরিচয় হয়। তিনি বুঝতে পারেন, ইসলাম সম্পর্কে এসব শিশু একেবারেই বেখবর। অনিশ্চিত শঙ্কা নিয়ে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করতে তিনি স্বপ্নচোখে এগিয়ে যান। এখন তার প্রতিষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ১১৫ জন বাক, শ্রবণ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে। তাদের অনেকে পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার পথে। সূত্র: মুম্বাই উর্দু টাইমস।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ