সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

আর্থিক ও মানসিক স্বাচ্ছন্দের ক্ষতি করছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম: গবেষণা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: একসময় আমাদের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি এখন আর কেবলমাত্র যোগাযোগই নয়, এটি বিনোদনসহ কেনা-কাটার জন্যেও গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বলা যায়, একটি স্মার্ট ফোন কোনো সুপার শপের চেয়ে কম নয়।

ফোনের পর্দায় এদিক-ওদিক ভেসে বেড়াচ্ছে বহু বিজ্ঞাপন। ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমের এসব বিজ্ঞাপন মানুষকে অহেতুক খরচে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি মানুষের সুখের অনুভূতিকেও আটকে দিচ্ছে।

এসব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপন আমাদের মনে সৃষ্টি করছে অবাস্তব কিছু প্রয়োজন। এর কারণ হতে পারে বিজ্ঞাপনের পুনরাবৃত্তি, বিভিন্ন মূল্যছাড়ের প্রস্তাব, কিংবা বিনামূল্যে ডেলিভারির মতো ঝা চকচকে ভোজবাজি।

চূড়ান্ত ভোগবাদের এই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের খরচের অভ্যাসটা পরিচালিত হচ্ছে তার সামাজিক মাধ্যমে কাটানো জীবনযাত্রা দিয়েই।

সম্প্রতি ব্যাংকরেট.কমের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক সংখ্যক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী বিভিন্ন স্পনসর করা বিজ্ঞাপনের কারণে এমন হুটহাট খরচের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।

ব্যাংকরেটের বিশ্লেষক সারা ফস্টার জানান, আপাতদৃষ্টিতে প্রাত্যহিক জীবনে মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা হিসেবে এসব পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। ফলে সাময়িকভাবে পণ্য বা সেবাগুলো অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক, অনেক বেশি জরুরি মনে হয়। কিন্তু অর্ডার করার একটা নির্দিষ্ট সময় পরই অনেক ক্রেতার মনে হয়, এই খরচটার কোনো দরকার ছিল না।

৬৪ শতাংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীই এমন বিজ্ঞাপন দেখে আবেগের বশবর্তী হয়ে কেনাকাটা করে অন্তত একবার হলেও আফসোস করেন।

সারা ফস্টারের মতে, সেইসব কেনাকাটা আমাদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিই বেশি করে। সামাজিক মাধ্যমের রঙিন দুনিয়ার যে চিত্র আমরা দেখি, পণ্য বা সেবা হাতে আসার পর সে ধারণা ভেঙে যায়।

জরিপ থেকে জানা যায়, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যম শুধু মানুষের পকেট হালকা করতেই ভূমিকা রাখছে না; মানুষের সুখ-সুখের অনুভূতিকেও যেন একটা গণ্ডিতে আটকে ফেলছে এই বিজ্ঞাপনগুলো। প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ব্যবহারকারী বা ক্রেতা তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে অস্বস্তিতে ভোগেন, যা কিনা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও বেশ বাজে প্রভাব ফেলে।

৪৭ শতাংশ জেন-জি এবং ৪৬ শতাংশ মিলেনিয়াল à