শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

আদালতের ব্যতিক্রমী রায়, নামাজ পড়ার শর্তে মুক্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সংশোধনের জন্য এক ব্যতিক্রমী রায় দিয়েছেন মৌলভীবাজারে আদালত। নামাজ পড়া ও মাদক থেকে বিরত থাকাসহ কয়েকটি শর্তে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আজ মঙ্গলবার (২ আগস্ট) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ আলী আহসান এই ব্যতিক্রমী রায়টি দেন।

এ সময় আদালত বলেন, মানুষ অপরাধী হয়ে জন্মগ্রহণ করে না। বিভিন্ন কারণে অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। ছোটখাটো অপরাধ হলে তাকে শাস্তি না দিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত। কারাগারের বাইরে রেখে সাজাপ্রাপ্তদের সংশোধনের সুযোগ দিতে দীর্ঘদিনের পুরোনো আইনটি সচল করা প্রয়োজন। বিশ্বের অনেক দেশে এমন আইন চালু রয়েছে।

আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৬ আগস্ট শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিরাজনগরে মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাহমুদ মিয়া নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে নুর মিয়াসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে নুর মিয়ার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। যা আজ থেকে শুরু হবে।

পরে অভিযুক্ত নুর মিয়ার দুজন নাবালক সন্তান রয়েছে ও পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন আদালত। তাকে নামাজ পড়া, ১০০টি গাছ রোপণ, নতুন করে কোনো অপরাধে জড়িত না হওয়া, মাদক সেবন থেকে বিরত থাকা, শান্তি রক্ষা ও সদাচরণ করা, আদালতের নির্দেশমতো হাজির হওয়াসহ নানা শর্তে মুক্তি দেন আদালত।

প্রবেশনকালে এসব শর্তের কোনোটি ভঙ্গ করা হলে তাকে আদালতের দেওয়া তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড কারাগারে থেকে ভোগ করতে হবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেন।

একইসঙ্গে এসব শর্ত প্রতিপালনের জন্য জেলা প্রবেশন কর্মকর্তাকে পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছেন আদালত। এদিকে আদালতের এমন রায়কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আইনজীবী ও বিচারকরা। অপরাধ সংশোধনে এমন রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বদরুল হোসেন ইকবাল বলেন, সমাজে অপরাধ হ্রাসকল্পে এ ধরনের রায় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে দেয়া উচিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ