শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ

তুচ্ছ কারণে খুনসহ নানা অপরাধ করছে ভবঘুরেরা: চিন্তায় পুলিশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঢাকার খিলক্ষেতে হোটেল লা-মেরিডিয়ানের বিপরীতে গত ২৯ জুলাই ভোরে ফুটপাতে অজ্ঞাত একটি লাশ পাওয়া যায়।

ভুক্তভোগীর মুখমন্ডল পুরোটা থেতলানো ছিল। পরিচয় শনাক্ত করে দেখা যায়, নিহত আলমগীর ওই এলাকায় নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতো। ফুটপাতে ও রেললাইনের পাশজুড়ে মাদক কেনাবেচা, দেহব্যবসা হতে দেখে তাদের রোজ নিষেধ করতো ও বাধা দিতো। সুযোগ বুঝে সেদিন মাঝরাতে ডিউটির সময় কাঠ দিয়ে খুন করে পালিয়ে যায় ভাসমান কিছু মানুষ।

তদন্তে নেমে পুলিশ মোয়াজ্জেম ও রুবেল নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এমন ভাসমান অপরাধী নিয়ে বেশ চিন্তায় পড়েছে পুলিশ। তুচ্ছ কারণে ভাসমান মানুষ খুনও করছে। অন্য সব অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো না কোনো ক্লু থাকে বা অপরাধীদের পরিচয় মেলে। কিন্তু ভবঘুরেরা অপরাধ করলে তখন কোনো পরিচয় না থাকায় তদন্তে হিমশিম খায় পুলিশ।

ডিএমপির তথ্য মতে, রাজধানীতে প্রতিদিন ভাসমান মানুষদের হাতে দু-একটি করে হত্যাকাণ্ড হচ্ছে। এছাড়া, চুরি-ডাকাতি-ধর্ষণের মতো ঘটনা তো আছেই। বিষয়টি নিয়ে এখন জটিলতায় পুলিশ।

ভাসমান অপরাধী ইস্যুতে সম্প্রতি সভাও করেছে পুলিশ। সেখানে, জুন মাসের রাজধানীর ৪২টি মামলা পর্যালোচনায় দেখা গেছে ১৩টি মামলার আসামীদের হদিস মিলছে না। ধারণা করা হচ্ছে এরা ভাসমান।

ডিএমপি গোয়েন্দা বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান বলেন, প্রত্যেক মাসেই বেশকিছু হত্যাকাণ্ড-জখমের ঘটনা থাকে। একজন আরেকজনকে খুন করেছে, আঘাত করেছে। এদের কোনো আইডেন্টিফিকেশন থাকে না, জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে না। একবার এরা পালাতে পারলে হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।

ভাসমান ভবঘুরেরাও যে রোমহর্ষক ঘটনা ঘটাতে পারে তার উদাহরণ খিলখেত এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায়। সেই মামলায় মজনু নামের এক ভবঘুরের সাজাও হয়েছে। এমন ভরঘুরেদের দৌরাত্ব ঠেকাতে রাজধানীর ১৫টি জোন চিহ্নিত করা করেছে পুলিশ।

ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, বৈশ্বিক কোনো কারণে নয়, টাকা-পয়সার কারণে না কিংবা কোনো লেনদেনের কারণে না; এটা তাদের যে আন্তরিকতা, তাদের সমাজ; যারা গাঁজা খায় তাদের মধ্যে একটা মান-অভিমান থাকে, দুঃখ-কষ্ট থাকে, একটা পর্যায়ে দ্বন্ধের কারণে হাতের কাছে যা থাকে ইট বা লাঠি দিয়ে মেরে ফেললো। বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি ভবঘুরের পুনর্বাসনের উদ্যোগও জরুরি বলে মনে করছে পুলিশ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ