সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি

বাবার লাশ সামনে রেখে সন্তানদের বিবাদ: আলেমগণ কিভাবে দেখছেন?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।আবু সাঈদ।।

পিতার মৃত্যুতে সন্তানদের শোকাহত হওয়ার কথা। বাড়ি ভর বিরাজ করার কথা বেদনার আবহ। কিন্তু বিভিন্ন সময় সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসছে ভিন্ন চিত্র।

মৃত পিতার লাশ সামনে রেখেই সম্পদ বন্টন নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হচ্ছে সন্তানরা। পরালোকগত পিতার শব সমাহিত করার ভাবনা যেন কারো নেই। নিজের প্রাপ্য পূর্ণরূপে বুঝে নিতেই সবাই ব্যস্ত। কেউ থানায় যায়। কেউ আবার ইউপি সদস্যের দ্বারস্থ হয়। এমন অদ্ভুদ সব ঘটনা ঘটছে দেশের নানা স্থানে।

আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে, এলিট পরিবারেও এমন ঘটনার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। একেকটি ঘটনার পর সচেতন মানুষজন নানা রকম মন্তব্য করে। ব্যক্ত করে নিজেদের হতাশা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও তখন লেখালেখি হয় প্রচুর।

সবাই ঘটনার অন্তর্নিহিত কারণ নিজের পরখ মতো তুলে ধরে। তবে এতে কোন কার্যক্রর ভূমিকা দেখা যায় না সমাজে। পরিবর্তন হয় না এমন অদ্ভুদ মানুষগুলোর স্বভাব। দিন দিন এরূপ ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই চিন্তিত দেশের সচেতন সমাজ।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় মেহেরপুরের বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া মেহেরপুরের শিক্ষা সচিব ও সিনিয়র মুফতি আবদুল্লাহ আল মাদানীর সাথে।

তিনি আওয়ার ইসলামকে বলেন, ‘নানা সময় সংবাদ মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, পিতার লাশকে সামনে রেখে সম্পদ বন্টন নিয়ে সন্তানরা বিবাদে লিপ্ত হয়। এটি তাদের অত্যন্ত নীচু মানসিকতার পরিচয় বহন করে। শরীয়তের দৃষ্টিতে এটা খুবই গর্হিত কাজ। পিতার মৃত্যুর পর তার কাফন দাফনের ব্যবস্থা করা সন্তানদের উপর আবশ্যক।’

মুফতি আবদুল্লাহ আল মাদানী বলেন, ‘মৃত ব্যক্তির সম্পদ বন্টনে ইসলামের সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে। কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর প্রথমে সম্পদ দ্বারা তার কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করতে হয়। অতপর তার ঋণ পরিশোধ করতে হয়। কোন ওসিয়ত থাকলে সম্পদের এক তৃতীয়াংশ দ্বারা তা পূরণ করতে হয়। এরপর কিছু উদ্বৃত্ত হলে স্বজনরা তা প্রাপ্ত হয়।’ অতপর মুফতি আবদুল্লাহ আল মাদানী বলেন, ইসলামের এ গুরুত্বপূর্ণ বিধান না জানার কারণেই এসব অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটছে।’

জামিয়া ইসলামিয়া মেহেরপুরের শিক্ষাসচিব বলেন, আসলে দীনি শিক্ষার অভাবেই মূলত এমন নির্দয় আচরণ দেখা যায়। সেজন্য আমাদের প্রত্যেকের জন্যই উচিৎ, আমরা আপন সন্তানকে প্রয়োজন পরিমাণ ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করবো।’

এ বিষয়ে কথা হয় রাজধানীর মেরুল এলাকার বিখ্যাত দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান