সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি

আসলেই কি দুর্ভিক্ষ ঘনিয়ে আসছে? কী ভাবছেন বিজ্ঞ আলেমরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দিনকে দিন বেড়েই চলছে নিত্যপণ্যে দাম, পরিস্থিতি খারাপের দিকেই যাচ্ছে। দেশে দেশে দেখা দিয়েছে মন্দাভাব। ২০২৩ সালে বড় রকমের খাদ্যসংকট দেখা দিতে পারে বলে হুশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই। করোনা সংকট কাটতে না কাটতেই শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্ভিক্ষ ও খাদ্যসংকট, এ জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে ইসলামে কী আছে? কী ভাবছেন বিশেষজ্ঞ আলেমরা। কয়েকজন বুদ্ধিজীবী আলেমদের সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ তামিম।।



ইসলামে দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে অবশ্যই বলা আছে।  কিভাবে এর মোকাবেলা করতে হবে এ বিষয়েও বলা আছে। দুর্ভিক্ষের আগে সরকার ও জনগণ কিভাবে প্রস্তুতি নেবে এ বিষয়ে বহু আগেই জানিয়ে রেখেছে মহাগ্রন্থ আল কোরআন। দুর্ভিক্ষ বলতে ইসলামে এর কোনো অস্তিত্ব আছে কী না? এ প্রশ্নের জবাবে কথাগুলো বলছিলেন, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার শায়খে সানী মুফতি শামসুদ্দীন জিয়া।

তিনি আরো বলেন, পবিত্র কুরআনের সূরা ইউসুফে একটি রাষ্ট্রের দূর্যোগকালীন অর্থনীতি নিয়ে যে দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় রাষ্ট্র ও বিশ্ব নেতৃত্বের জন্য অনুস্বরণীয় হতে পারে।

বাংলাদেশেও যদি এ ধরণের কোনো দুর্যোগ দেখা দেয়, তাহলে কুরআনে বর্ণিত ইউসুফ আ. এর নির্দেশিত পথ অবলম্বন করলে এ দুর্ভিক্ষ থেকে আল্লাহ পাক আমাদেরকে রক্ষা করতে পারেন। হজরত ইউসুফ আ. মিশরের দুর্ভিক্ষের সময় আল্লাহর নির্দেশে জানান, মিশরে সাত বছর প্রচুর শস্য ও ফলফলাদি উৎপাদন হবে, বাকী সাতবছর ভয়াবহ দূর্ভিক্ষ নেমে আসবে। এ থেকে বাঁচার উপায় হচ্ছে প্রথম সাতবছরের বাড়তি শস্য জমা রাখা। তাহলে দুর্ভিক্ষের সাতবছর অনায়াসেই কাটিয়ে দেয়া যাবে।

তিনি দেশের মানুষকে লক্ষ্য  করে বলেন, পৃথিবীতে আসা সব বালা মুসিবত মানুষের গুনাহের কারণেই হয়। তাই সর্বোপরি আমাদেরকে সব ধরণের গুনাহ ছেড়ে দিতে হবে। আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে।

কুমিল্লা জেলা কওমি মাদরাসা সংগঠনের সহ-সভাপতি, মাদারাসায়ে আশরাফিয়া দারুল উলুম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, মফতি শামছুল ইসলাম জিলানী এ বিষয়ে বলেন, আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ। এ দেশে আল্লাহর রহমত ও বরকত আছে। ইনশাআল্লাহ এ দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়ার কোনো আলামত নেই। বিশ্বের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করলে এমন কিছুর আভাস আমরা পাই নà¦