|| কাউসার লাবীব ||
আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেন্দ্ৰীয় কচি-কাঁচা মিলনায়তনে নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান করছে লেখকদের জাতীয় সংগঠন ‘বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম।’সময়ের ব্যবধানে লেখক ফোরাম ১০ বছরে পা দিলো।
দীর্ঘ এ সময়ে ফোরামের অর্জন কী? দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে কতটা সচেতনতার পরিচয় দিতে পেরেছে? আগামী দিনের পথচলায় কী পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সংগঠনটি? জানতে চেয়েছিলাম স্বপ্নচারী লেখক, মুহাদ্দিস মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীনের কাছে। তার মতে ‘বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম এ পর্যন্ত কী দিতে পেরেছে’ সুনির্দিষ্ট করে এর উত্তর যারা দায়িত্বশীল তারাই দিতে পারবেন। তবে আমার কাছে মনে হয়- লেখকদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক তৈরি, চিন্তার একতা তৈরি করতে পেরেছে সংগঠনটি। ইসলামি ভাবধারার লেখকদের সুসংগঠিত করে রাখার যে কাজটি ফোরাম করেছে এটি সামগ্রিকভাবে বড় অর্জন বলেই আমি মনে করি।
ফোরামের সাবেক সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর বলেন, ২০১২ সালে আমরা যখন ইসলামী লেখক ফোরাম প্রতিষ্ঠা করি তখন আমাদের সামনে পুরো অঙ্গনে কোনো নজির ছিল না। ইসলামি লেখকদেরও সংগঠন হতে পারে- সেটাই ছিল তখন অনেকের কাছে বিস্ময়ের মতো। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল, ইসলামকে বিষয় হিসেবে ধারণ করে যারা লেখালেখি করে তারা যেন একটি প্লাটফর্মে জড়ো হতে পারে। বড়দের তত্ত্বাবধানে তরুণদের নিয়ে এই সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসেবে সংগঠনের বয়স প্রায় ১০ বছর।
জহির উদ্দিন বাবর বলেন, শুরু থেকেই আমরা সংগঠনটিকে তারুণ্যের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমরাও এক প্লাটফর্মে জড়ো হতে পারি- সেটা দেখিয়ে দেওয়াই ছিল আমাদের কাছে মুখ্য বিষয়। একটি ব্যানারে মাঝে মাঝে একসঙ্গে হতে পারাই ছিল তখন আমাদের কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি। আমরা এই সংগঠনের মাধ্যমে ‘বিপ্লব’ টাইপের কোনো কিছু ঘটিয়ে ফেলব সেটা কখনও বলিনি। কয়েকশ তরুণ লেখক একটি ব্যানারে বছরে কয়েক বার একত্রিত হতে পারে সেটাকেই আমরা অনেক বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখেছি।
‘শুরু থেকে ফোরাম তার নেতৃত্ব যেন গতিশীল হয় সেই চেষ্টা করেছে। এজন্য এক নাগারে দুইবারের বেশি এক পদে না থাকার বিধান রাখা হয়েছে। গত ১০ বছরে যথাসময়ে পাঁচটি কাউন্সিল করতে পারা ফোরামের অনেক বড় অর্জন বলে আমি মনে করি। নয়টি সাধারণ সভায় সারাদেশ থেকে লেখকরা এক জায়গায় জড়ো হয়েছেন, ভাবনা বিনিময় করেছেন, বড়দের নির্দেশনা পেয়েছেন, এটাকে আমরা কোনোভাবà§