আবদুল্লাহ তামিম।। আমি ‘ধর্ম গুরুদের’ জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যখন শ্রী রাম, ব্রহ্মা বা শিব ছিল না তখন কাদের পূজা করা হয়েছিল। তখন তারা বলল ‘ওম’ এর পূজা করা হয়েছিলো। যখন আমি জিজ্ঞেস করলাম ‘ওম’ কে? তখন তারা বলল ‘ওম’ একটা বাতাস। তিনিই আসমান জমিন গ্রহ তারা পাহাড় পর্বত সৃষ্টি করেছেন। আমি বললাম তাকেই তো আমরা আল্লাহ বলি। এ বক্তব্যে ভারতজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। হিন্দু, জৈন, খ্রিস্টান এবং শিখ নেতারা মঞ্চ ছেড়ে চলে যায়।
গতকাল রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভারতের ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ৩৪ তম সাধারণ অধিবেশনের তৃতীয় দিনে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররেসিন, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ও আমিরুল হিন্দ আল্লামা সাইয়েদ আরশাদ মাদানি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আপনারা যাকে ঈশ্বর বলেন আমরা তাকে আল্লাহ বলি, এর মানে হল মনু ওম এরই পূজা করতো। আর তিনি হলেন আল্লাহ। যেমন আদম আ. আল্লাহকে উপাসনা করতেন। কেউ প্রমাণ করতে পারবে না যে মনু সেই আল্লাহকে (পূজা) করেননি যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। সর্ব প্রথম মনু ওম এর ইবাদত করেছেন। ওম এক অদ্বিতীয়। আল্লাহও এক ও অদ্বিতীয়। সুতরাং তোমরা যাকে ওম বল তিনি আর আল্লাহ এক।
আল্লামা আরশাদ মাদানি আরো বলেন, আমরা কখনই কাউকে ইসলামে যোগ দিতে বাধ্য করিনি। বিশ্বাস কেবল তখনই সত্য হতে পারে যদি তা স্বেচ্ছায় হয়। শক্তি বা বল প্রয়োগের মাধ্যমে না হয়। আপনারা জানেন, জোর করে কখনো কোনো ধর্ম করে মিটিয়ে ফেলা যায় না। পৃথিবীর সূচনা থেকে ইসলাম চলে আসছে, কিয়ামত পর্যন্ত এ দীন থাকবে। আমরা শত শত বছর ধরে হিন্দু-মুসলিম এক সাথে বসবাস করে আসছি।
তিনি আরো বলেন, এখানে ধর্মগুরুরা উপস্থিত আছেন, আমি বলবো মুসলিমদের এ কথা বুঝতে হবে, সবার শেষ নবী মুহাম্মদ সা. কে আরবে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ যদি চাইতে তাকে আমেরিকা, ইউরোপ বা অন্য কোনো দেশে পাঠাতে পারতেন। কিন্তু আল্লাহ নবীকে আরবে পাঠিয়েছেন। আমাদের সর্ব প্রথম নবী আদম আ. কে হিন্দুস্তানে পাঠিয়েছেন। আমরা জানি আপনারাও জানেন আদম আ. কে আমাদের দেশে আল্লাহ তায়ালা প্রেরণ করেছেন। অন্য কোথাও চাইলে আল্লাহ তায়ালা প্রেরণ করতে পারতেন। তখন পৃথিবীতে আর কোনো মানুষই ছিলো না। শুধু আদম আ.। সে আল্লাহরই ইবাদত করতেন। আর ভারতের মানুষরা তাকেই মনু বলেন। আর আমরা আদম আ. এর সন্তান কে মানুষ বলি। আর তারা তাকে মনু বলে। আমি অনেক বড় বড় ধর্মগুরু কে জিজ্ঞেস করেছি। তারা বলেছে মনু কার পূজা à¦