সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়াল ৫০ হাজার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দুই দেশ তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের শঙ্কায় সত্যি হলো।

৬ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে আঘাত হানে রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প। এতে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়েন বহু মানুষ। এরপর থেকে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। সেই সংখ্যা বর্তমানে ৫০ হাজারের গণ্ডি পার হয়ে গেছে। এরদোয়ান আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন, ভয়াবহ ওই ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

শুধু তুরস্কেই মৃত্যু হয়েছে ৪৪ হাজারের বেশি মানুষের। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কবলে সেদেশে এখনও পর্যন্ত ৪৪ হাজার ২১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সিরিয়ায় মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৯১৪ জনের। তুরস্কের দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ভূমিকম্প আঘাত হানার ১৯ দিন পেরিয়েছে। প্রবল শৈত্যপ্রবাহ, ঠাণ্ডা এবং তুষারপাতের মধ্যে উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাওয়া কষ্টসাধ্য। তবুও তারা হাল ছাড়তে রাজি নন বলেই জানিয়েছেন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্পের পর থেকে শতাধিক বার ‘আফটার শক’-এ কেঁপে উঠেছে তুরস্ক ও সিরিয়া। দুই দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন শুধুই ধ্বংসস্তূপ। জাতিসংঘের অনুমান, শুধু তুরস্কেই ভেঙে পড়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার বাড়ি। সিরিয়াতেও অন্তত ৫০ হাজার বাড়ি ভেঙে পড়েছে বলে অনুমান ত্রাণকর্মীদের। ধ্বংসস্তূপের নিচে যে আরও কত হাজার মানুষ চাপা পড়ে রয়েছেন, তারও কোনো পরিসংখ্যান নেই।

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দুদেশে এখন শুধুই স্বজন হারাদের কান্নার রোল। হাসপাতালগুলোতেও চিকিৎসা চলছে লক্ষাধিক মানুষের। যারা বেঁচে গেছেন, তাদের খাবার, পানীয় ও ওষুধ সরবরাহ করতে নাজেহাল আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংগঠনগুলো। পর্যাপ্ত খাবার এবং পানি ছাড়াই রাস্তায় দিন কাটাচ্ছেন ঘরবাড়ি হারানো বহু মানুষ।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ