সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী ১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন

রমজানে সুস্থ থাকতে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পবিত্র রমজান মহান আল্লাহর রহমত এবং তার সান্নিধ্য লাভের সুবর্ণ সুযোগসংবলিত একটি মাস। এবারও রমজান আসছে গরমের দিনে। এসময় প্রায় ১৫ ঘণ্টা অভুক্ত থাকতে হবে সবাইকে। তাই এসময় খাবারে একটু বাড়তি নজর দিতে হবে। বিশেষ করে ইফতারিতে এমন কিছু খাওয়া যাবে না যাতে, পেটে গ্যাস, বদহজম ও নানারকম শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। রোজায় সুস্থ থাকতে তাই বাকি ৯ ঘণ্টা পরিকল্পিতভাবে খাওয়া-দাওয়া করতে হবে।

ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। দীর্ঘসময় অভুক্ত থেকে ইফতারিতে তেল ও মশলা জাতীয় খাবার খাওয়ায় অনেকেই গ্যাস্ট্রিকে ভোগেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কী কী নিয়ম মেনে চললে গ্যাস্ট্রিকমুক্তভাবে রোজা পালন করা যাবে:

গ্যাস্ট্রিকের উপসর্গ:

১. পেটের ওপরের অংশে ব্যথা হবে।

২. বুক জ্বালাপোড়া করবে।

৩. খাবারের আগে পরে পেট ব্যথা হতে পারে।

৪. খাবারের সময় বুকে বাঁধ পড়ার মতো অনুভব হবে।

৫. ঢেকুর আসবে।

৬. বমি বমি ভাব থাকবে এবং খাবারের চাহিদা কমে যাবে।

৭. অল্প খাবারেই পেট ভরে গেছে মনে হবে।

রোজায় গ্যাস্ট্রক নিয়ন্ত্রণে রাখতে কী কী বর্জন করতে হবে:

১. অতিরিক্ত মশলাযুক্ত ও তৈলাক্ত খাবার খাবেন না।

২. ইফতারের শুরুতেই লেবু পানি পান করা থেকে বিরত থাকুন।

৩. ইফতারের পর পরই চা, কফি কিংবা কোনো ধরনের ফাস্টফুড জাতীয় খাবার একদমই খাবেন না।

৪. কেক, পেস্ট্রি, পাউরুটি পেটে গ্যাস তৈরি করে। তাই ইফতারির তালিকা থেকে এসব খাবার বাদ দিন বা পরিমাণে খুব কম রাখুন।

৫. একসঙ্গে অনেক পানি পান না করে কিছুক্ষণ পর পর অল্প অল্প করে পানি পান করুন।

৬. পায়খানা আটকে রাখবেন না।

গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণে ইফতারিতে যা খেতে পারেন:

১. ইফতারের আয়োজনে তাজা ফল যেমন– বাঙ্গি, পেঁপে, আখ ইত্যাদির রস পান করা ভালো।

২. তাজা ফলের রসের বিকল্প হতে পারে ইসবগুলের ভুষি অথবা তোকমার দানা মিশ্রিত শরবত।

৩. কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন যারা তাদের জন্য পাকা পেঁপে দারুণ উপকারি।

৪. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন, তবে একটু একটু করে।

৫. হজমশক্তি ভালো রাখতে শসার সালাদ হতে পারে গ্যাস্ট্রিক রোগীর জন্য মহৌষধ।

৬. মাগরিবের আজানের পর দুই থেকে তিনটি খেজুর খেয়ে পানি পান করে নামাজ পড়ে নিতে পারেন। এতে খাবারে কিছুক্ষণ বিরতি পড়বে। নামাজের পর অন্যান্য খাবার গ্রহণ করলে পেট ফাঁপা কিংবা অস্থির লাগা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৭. ইফতারির আয়োজনে একদিন নুডুলসের (কম তেলে রান্না) সঙ্গে সালাদ, কোনোদিন পায়েস (চিনি কম), কোনোদিন স্যুপ খাওয়া যেতে পারে।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ