সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সৌদি আরব ও কাতারের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ বিশ্বজয়ী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে সংবর্ধনা দিল ধর্ম মন্ত্রণালয় লক্ষ্মীপুরে ড্রাম ট্রাকচাপায় বৃদ্ধ ভ্যানচালকের মৃত্যু দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ

যেসব কাজ করলে রোজা ভেঙ্গে যায়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রমজানের রোজা রাখা ফরজ। আল্লাহ তাআলা রমজান মাসজুড়ে রোজা রাখাকে ফরজ করেছেন। রোজা রেখে যেসব কাজ করলে রোজা ভেঙে যায় এবং গুনাহের কারণ হয় তা অনেকের অজানা। রোজা ভঙ্গের সেসব কারণ ও গুনাহের কাজগুলো কী?

আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘আর এখন তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সহবাস করতে পারো এবং আল্লাহ যা কিছু তোমাদের জন্য লিপিবদ্ধ করেছেন বা দান করেছেন তা আহরণ কর। আর ভক্ষণ করো, পান করো যতক্ষণ না রাতের কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিস্কার দেখা যায়। এরপর তোমরা রাত পর্যন্ত রোজাকে পূর্ণ কর।’ (সুরা আল-বাকারা: আয়াত ১৮৭)

এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা রোজা ভঙ্গের মৌলিক নীতিমালা উল্লেখ করেছেন। আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে তা পরিপূর্ণভাবে উল্লেখ করেছেন। এখানে রোজা ভঙ্গের কারণগুলো উল্লেখ করা হলো-

প্রথম কারণ: স্ত্রী সহবাস করা

সহবাস বলতে বুঝায়, পুরুষের লিঙ্গ নারীর জননেন্দ্রিয়ে প্রবেশ করানো। এটা রোজা ভঙ্গের বড় কারণ এবং রোজা অবস্থায় সবচেয়ে বড় গুনাহের কাজ। সুতরাং যে রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করল তার রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। চাই তা ফরয হোক কিংবা নফল।

এই অবস্থায় রোজা ভঙ্গের ফলে ৫টি জিনিস সংঘটিত হয়-

১. কবিরা গুনাহ হয়; আর এর ফলে তাকে তওবা করতে হবে;

২. রোজা বাতিল হয়ে যাবে;

৩. তাকে ঐ দিনের অবশিষ্ট অংশ পানাহার ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে;

৪. ঐ দিনের রোজা (রমজানের পরে) ক্বাযা করতে হবে;

৫. বৃহৎ কাফ্ফারা আদায় করতে হবে। আর কাফ্ফারা হলো শরিয়ি ওজর ছাড়া একাধারে দুই মাস রোজা রাখা অথবা একজন গোলাম আজাদ করা কিংবা ৬০ জন মিসকিনকে একবেলা খাবার খাওয়ানো।

হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ মুসলিমে এসেছে-

‘এক লোক রমজানে তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এ ব্যাপারে ফতওয়া জানতে চাইল? তখন তিনি বললেন: তুমি কি কৃতদাস আজাদ করতে পারবে। সে উত্তরে বললো জ্বি-না। তখন তিনি বললেন, তুমি কি একাধারে দুমাস রোজা রাখতে পারবে। (একাধারে নিরবচ্ছিন্নভাবে সাওম রাখা অন্য রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে) সে বলল: জ্বি-না। তখন আল্লাহর রাসুল বললেন, তাহলে তুমি ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়াও।’ (বুখারি ১৯৩৬; মুসলিম ১১১১)

দ্বিতীয় কারণ: ইচ্ছাকৃত বীর্যপাত ঘটানো

চাই তা চুম্বন, স্পর্শ বা হস্তমৈথুন অথবা কামভাবসহ এমন কিছু করার মাধ্যমে হোক যা বীর্যপাত ঘটায়, এমন হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। কারণ এগুলো এমনসব কাজ যেগুলো পরিত্যাগ করা ছাড়া রোজা সংঘটিত হতে পারে না। যেমন হাদিসে কুদসীতে এসেছে-

‘(আল্লাহ তা‘আলা বলেন) রোজা পাà