আবদুল্লাহ তামিম।। ৫ দিনের ব্যবধানে ৪ জন মনীষীকে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
গতমাসের ২৭ (মার্চ) তারিখ সোমবার চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলজামিয়াতুল ইসলামিয়া আরাবিয়া জিরির (জিরি মাদরাসা) প্রবীণ মুহাদ্দিস ও বহু শীর্ষ আলেমের উস্তায মাওলানা শাহ আহমদ উল্লাহ কাসেমী ইন্তেকাল করেন। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ ‘বাবা হুজুর’ খ্যাত মাওলানা মমতাজুল করিম রহ. পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। বুধবার ২৯ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় ইন্তিকাল করেন মাওলানা শিব্বির আহমাদ রহ. নোয়াখালী। শুক্রবার ৩১ মার্চ আল্লামা নূর আহমদ রহ.।
মাওলানা শাহ আহমদ উল্লাহ কাসেমী
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলজামিয়াতুল ইসলামিয়া আরাবিয়া জিরির (জিরি মাদরাসা) প্রবীণ মুহাদ্দিস ও বহু শীর্ষ আলেমের উস্তায মাওলানা শাহ আহমদ উল্লাহ কাসেমী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। মাওলানা আহমদ উল্লাহ কাসেমী দীর্ঘদিন যাবত জিরি মাদরাসায় মুহাদ্দিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একজন সুদক্ষ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দেশের শীর্ষ আলেম আল্লামা শাহ তৈয়ব রাহমাতুল্লাহি আলাইহি, আল্লামা আবদুস সালাম চাটগামী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ও জামিয়া জিরির বর্তমান শাইখুল হাদিস মুসা সন্দীপী-সহ বহু আলেম তার ছাত্র।
মাওলানা মমতাজুল করিম রহ. (বাবা হুজুর)
আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসাতে দীর্ঘ ৩৯ বছর (১৯৮৪-২০২৩) প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকতার দায়িত্ব পালন করেন মাওলানা মুমতাজুল করিম। মরহুম বাবা হুজুর চরমোনাইর মরহুম পীর শায়খ ইসহাক রহ. এর জামাতা ছিলেন।
১৯৪২ সালের ২৭ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানার ডুলিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা মুমতাজুল কারিম। তিনি এলাকার বিখ্যাত বটগ্রাম হামিদিয়া মাদরাসায় শিক্ষাজীবন শুরু করেন। এরপর ফেনী শর্শদি মাদরাসায় কিছুদিন পড়াশোনা করে দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায় ভর্তি হন। পরে জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসা থেকে সুনাম ও কৃতিত্বের সঙ্গে দাওরায়ে হাদিস সমাপ্ত করেন।
আল্লামা শিব্বির আহমদ নোয়াখালী
(২৯ মার্চ) বুধবার সন্ধ্যা ৬ টায় ঢাকায় বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি তিন ছেলে এবং এক মেয়ের জনক।
জানা যায়, গত তিন দিন আগে তার সহধর্মিনী মারা যায়। তিনি শারীরিক অসুস্থতা নিয়েà