সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

সেহেরিতে মাইকে ডাকাডাকি, কী বলছেন গবেষক আলেমরা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| হুসাইন আহমাদ খান ||

পবিত্র রমজানে ইফতার ও সেহেরি অন্যতম ইবাদত। এ দুটি ইবাদতের সঠিক সময় সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে মসজিদের মাইক থেকে ভেসে আসে বিভিন্ন ধ্বনি। বিশেষ করে সেহেরির জন্য আরবে আজান হয় আর আমাদের দেশে বিশেষ শব্দে ডাকা হয়। মাইকে উচ্চ আওয়াজে ডাকাডাকির এই শব্দগুলো কেমন হবে? কতটা সময় ধরে ডাকা যাবে? এ নিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন অঙ্গনে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা। কেউ দাবি তুলছেন মাইকে এসব ডাকাডাকির রুসম একেবারে বন্ধ হওয়ার। কিন্তু দেশের গবেষক আলেমগণ কী বলছেন এ বিষয়ে?

দেশের অন্যতম প্রধান মুফতি, গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান শায়খ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘শেষ রাতে সেহেরির জন্য মাইকে ডাকাডাকির বিষয়টিকে ইসলাম কীভাবে দেখে?’ তিনি বলেন, সেহেরির সময় ঘুমন্ত মানুষকে জাগানোর কথা হাদিসে আছে। তবে সে পদ্ধতিটি ছিল তাহাজ্জুদের আজান। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে কেউ যদি আজান না দিয়ে ভিন্নকোনো শব্দে মানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য ডাকে তাহলে এতে আমি কোনো সমস্যা দেখছি না।

‘তবে এখন শেষ রাতে সেহেরির জন্য মাইকে ডাকাডাকির বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। ‘কেউ বলছে মোবাইলে এলার্ম যেহেতু আছে তাই মাইকে ডাকার প্রয়োজন নেই।’ আমার মনে হয় এটিও একটা বাড়াবাড়ি। ডাকা যাবে অবশ্যই। তবে কীভাবে ডাকতে হবে? সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ’ বলেন, এই গবেষক আলেম

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে অনেক এলাকায়, বিশেষ করে শহরের মসজিদগুলোতে যার যখন মন চায় মাইকে সাইরেন বাজায়, গজল গায়, ওয়াজ ছেড়ে দেয়, তিলাওয়াত করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এসব। এটা কোনোভাবেই সমর্থন যোগ্য নয়। এতে মানুষ বিরক্ত হয়। কষ্ট পায়। আর হাদিসে কোনো মানুষকে কষ্ট দেয়ার ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, বাসাবাড়িতে অনেকেই তাহাজ্জুদে দাড়ায়, অনেকে অসুস্থতার কারণে ঘুমায়। কিন্তু অতিরিক্ত মাইকের আওয়াজের ফলে তারা কষ্ট পায়। তাছাড়া মসজিদে যারা এতেকাফে বসে তারাও বারবার মাইক চালু করার কারণে তাহাজ্জুদ পড়তে পারে না। সময়ের শেষে দেখা যায়, যারা পালা করে অতিমাত্রায়, আবেগে ডাকাডাকি করছে তারাও ঠিক মতো সেহেরি খেতে পারে না বা তাহাজ্জুদ পড়তে পারে না। অন্যরাও পারে ন। তাই এ কাজের অনুমতি কোনোভাবেই ইসলাম দিতে পারে না।

‘হাদিসে আজান দিয়ে ডাকার কথা বলা হয়েছে। সেই অনুপাতে যদি ব্যাখ্যা করা হয় তাহলে আজান পরিমান সহনীয় শব্দে ডাকা যেতে পারে। যেমন, সেহের একঘণ্টা আগে একবার ডাকা হলো। আধা ঘণ্টা বাকি থাকতে একবার সà¦