সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হিরা ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে ইসির বৈঠক ‘নারী-শিশুর সহিংসতা ও যৌন হয়রানিতে 'জিরো টলারেন্স' কঠোরভাবে বাস্তবায়নের বিকল্প নেই’ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাচ্ছে, নতুন সরকারও তাই চাচ্ছে: অর্থমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু আজ, প্রচারণার নির্দেশ আজও রিয়াদগামী ২ ফ্লাইট বাতিল, ৩ দিনে মোট ৯টি সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী

৭০ বছর বয়সে কোরআনে হাফেজ হলেন আয়েশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জীবনের শুরুর দিকে কোরআন হেফজ করতে পারেননি। এ নিয়ে আক্ষেপের শেষ ছিল না ফিলিস্তিনি নারী আয়েশা বেগমের। তাই ৬৫ বছর বয়সে যখন সুযোগ হলো তখনই তিনি নেমে পড়েন কোরআন আত্মস্থ করায়। অবশেষে পাঁচ বছরের চেষ্টায় ৭০ বছর বয়সে তিনি কোরআনের হাফেজ হতে সক্ষম হয়েছেন। খবর আলজাজিরা।

খবরে বলা হয়, কোরআনকে হৃদয়ে ধারণ করতে না পারার শূন্যতা আয়েশা তার জীবনে খুব তীব্রভাবে অনুভব করছেন। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের জীবন সাধারণ আর যে কোনো দেশের মানুষের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। ফলে ইচ্ছে থাকলেও সুযোগ হয়নি হাফেজ হওয়ার। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও তার সেই স্পৃহায় কোনো ভাটা পড়েনি। বরং কোরআন হেফজের আগ্রহ আরও প্রবল হয়ে ওঠে। সে কারণে ৬৫ বছর বয়সে এসে তিনি ঠিক করেন, আর দেরি নয়, এবার যেভাবেই হোক পবিত্র কোরআন মুখস্থ করবেন তিনি।

মহান আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা করে শুরু করেন হিফজ করা। তবে একজন মানুষ শিশুবেলায় যতটা সহজে হিফজ করতে পারে, বৃদ্ধ বয়সে সেটা অনেক গুণ কঠিন হয়ে যায়। তারপরও চলতে থাকে আয়েশা বেগমের পথ চলা। তবে মাসের পর মাস এমনকি বছর পেরিয়ে গেলেও কোরআন হিফজ শেষ না হওয়ায় মাঝে মধ্যেই হতাশা ঘিরে ধরে তাকে। তবে সে সময় পাশে এসে দাঁড়ান স্বামী। তিনি উৎসাহ দিয়ে বলেন, হাফেজ হতে হলে তো দমে যাওয়া যাবে না।

তার উৎসাহ ও সাহসে আবার শুরু করেন। এভাবে দীর্ঘ পাঁচ বছর শেষে এক সময় সফল হন আয়েশা। বয়স আর হতাশাকে জয় করে শেষ করেন কোরআন হেফজর কাজ। ৭০ বছর বয়সে এসে জীবনের অতৃপ্তি মিটেছে তার।

তবে তিনি চান, তার মতো আর কেউ যেন এমন আফসোস না করে। প্রত্যেকেই যেন জীবনের শুরুতেই কোরআন মজিদ হৃদয়ে ধারণ করে নেয়। আর সে লক্ষ্যে তিনি নাতিদের ছোট থেকেই কোরআন শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ