সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা: নিহত ১, আহত ১১ স্ত্রীর মৃত্যুর সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নামাজরত অবস্থায় প্রাণ হারালেন স্বামী সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির ১৩ জনই ওমরাহযাত্রী ১২ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি জরুরি অবস্থা জারির কড়া সমালোচনা মাওলানা ফজলুর রহমানের মাহবুবা হাকিম এমপির বরাদ্দ ক্রীড়া সামগ্রী কিশোরদের মধ্যে বিতরণ নির্বাচন কমিশনার আইন নিয়ে আমাদের আশঙ্কা সত্যি হচ্ছে: ওয়াইসি ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে মাদরাসাগুলোকে বোর্ডের নির্দেশ রিয়াদে হামলায় নাসরুল্লাহ বদরের মৃত্যুতে ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের শোক-প্রতিবাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হিরার সাফল্যে বিএনপির অভিনন্দন

জুমাবারের গুরুত্ব ও ফজিলত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মাহ্ফুজুর রহমান হুসাইনী

ইসলাম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম। ইসলামই হলো আল্লাহ্ তায়ালার নিকট একমাত্র মনোনীত দীন। ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয়গ্রহণকারী মুসলমানদের প্রতি রয়েছে মহান আল্লাহ্ তায়ালার অশেষ দয়া ও নেয়ামত। জুমুআর দিনটি আল্লাহ্’র পক্ষ থেকে মুসলমানদের প্রতি এক অন্যতম নেয়ামত। জুমুআর দিন একটি বরকতপূর্ণ দিন। আল্লাহ্ তায়ালা সমস্ত দিনের উপর এ দিনটিকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, সূর্য উদয়ের দিনগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমুআর দিন। এ দিনে হযরত আদম আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সৃষ্টি করা হয়। তাঁকে এই দিন জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং এই দিনে জান্নাত থেকে তাঁকে বের করা হয়। আর এই জুমুআর দিনেই কিয়ামত হবে সংগঠিত হবে” (মুসলিম-২০১৪)।

এ ছাড়াও এই দিনে মহান আল্লাহ্ তায়ালা অনেক বড় বড় কাজ সম্পাদন করেছেন। এই দিনটি আল্লাহ্ পাকের নিকট অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এ দিনের ফজিলত বুঝাতে আল্লাহ্ তায়ালা দিনটিকে ঈদের দিন বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ্ তায়ালা এই দিনকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করে দিয়েছেন” (ইবনে মাজাহ-১১৫২)

জুমুআর দিন দোয়া কবুলের দিন। বান্দা আল্লাহ্’র কাছে যা আবেদন করে তাই মঞ্জুর করা হয়। আবূ হুরাইরাহ্ রাযি. হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন সম্পর্কে আলোচনা করে বলেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত। (বুখারি-৯৩৫)

জুমুআর দিনে দোয়া কবুলের এই সংক্ষিপ্ত সময়ের ব্যাপারে আল্লাহ্’র রাসূল ঈঙ্গিত দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, জুমাবারের যে মুহূর্তটিতে দুয়া কবুলের আশা করা যায়, তোমার সে মুহূর্তটিকে বাদ আসর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়টিতে তালাশ করো (তিরমিযী-৪৯১)।

আল্লাহ্ তায়ালা জুমুআর দিনকে মুসলমানদের জন্য অন্য রকম এক মিলনমেলা বানিয়ে দিয়েছেন। এই দিনে জোহরের নামাযের পরিবর্তে মহল্লার সকলকে একত্রিত হয়ে জুমুআর নামায আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, হে মুমিনগণ! জুমুআর দিনে যখন নামাযের আযান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। (à