|| মুহাম্মদ উমারা হাবীব ||
দাওয়াত ও তাবলিগ ইসলাম প্রচারের অপরিহার্য অংশ। এই কাজ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই ফরজ। এজন্য শরিয়তে এই কাজের নির্দিষ্ট কোনো পন্থা বলা হয়নি যেন সবাই শরিয়তের সীমার ভেতরে থেকে আপন আপন কর্মপদ্ধতি অনুযায়ী দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতে শামিল হতে পারে।
সব যুগেই দাওয়াত ও তাবলিগের এই মহান মেহনত আলেমদের দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে। দারুল উলুম দেওবন্দের কৃতিসন্তান হজরতজি মাওলানা ইলিয়াস রহ. যখন দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতের জন্য চলমান পদ্ধতি আবিষ্কার করলেন তখনও তাকে উলামায়ে দেওবন্দ ভরপুর সহযোগিতা সমর্থন করেছেন, এখনও সর্বতোভাবে করে যাচ্ছেন, ভবিষ্যতেও করবেন ইনশাআল্লাহ।
হজরতজি মাওলানা ইলিয়াস রহ. ১৯২৬ সনের দিকে দিল্লির নিকটবর্তী একদম অনুন্নত অঞ্চল মেওয়াতে দাওয়াত ও তাবলিগের এই মেহনত শুরু করেন। তখন উপমহাদেশের উলামায়ে ইসলামের ইমাম ছিলেন হজরত মাদানী রহ। তাবলিগ দীনের আবশ্যিক মেহনত আর মাওলানা ইলিয়াস রহ. নিজের স্নেহাস্পদ হওয়ায় হজরত মাদানী রহ. দাওয়াত ও তাবলিগের কাজে পূর্ণ সমর্থন সহযোগিতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। ফলে ১৯৩৩ সনের প্রচণ্ড শীতে যখন মেওয়াত থেকে ২০০ জনের একটি জামাত বিভিন্ন অঞ্চলে প্রেরণ করা হচ্ছিল হজরত মাদানী রহ. তখন দিল্লির জামে মসজিদে তাদের উদ্দেশে বিদায়ি হেদায়েত দেন। বয়ানে আবেগ উচ্ছ্বাসে তিনি বলেন, ‘তোমরা যে কাজের পদক্ষেপ গà§