কে.এম. সুহেল আহমদঃ
সময়টা ১৯৪০ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা চারপাশে। ৫৩ বছরের টগবগে তরুণ আব্দুল মালিক যোগ দেন তৎকালীন ভারতীয় হয়ে বৃটিশ নৌবাহিনীতে । পড়াশোনা ছিল মেট্রিক পর্যন্ত। নৌবাহিনীর নাবিক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েই চলে যান যুদ্ধের ময়দানে। লড়েন ব্রিটিশ পরিচালিত মিত্রবাহিনীর হয়ে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে(১৯৩৯-১৯৪৫) নিহত হন ভারতীয়( তৎকালীন) ও ব্রিটিশ সৈন্যরা।
তিনি যুদ্ধের প্রচেষ্টাকে সমর্থনকারী ভারত থেকে ২ মিলিয়নেরও বেশি একজন ছিলেন। একটি জার্মান ইউবোট দ্বারা তার জাহাজটি টর্পোডোড করার পরে এবং ১৯৪৩ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে যুদ্ধ সমাধিতে স্মরণীয় হয়ে মারা যাওয়ার পরে তিনি মারা যান।
তিনি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার কুশিয়ারা তীরবর্তী অঞ্চলের কুড়ারবাজার ইউনিয়নের আঁঙ্গুরা মুহাম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দুই পুত্র (মরহুম হাজী আব্দুর রহীম ও মরহুম হাজী আব্দুল করিম) ও ৩ কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।
তিনি তৎকালীন সময়ে বৃটিশ নৌবাহিনীর একজন নাবিক ছিলেন।( British