শাব্বির আহমাদ খান
বাংলাদেশে মুসলিম জনসংখ্যার হার নব্বই শতাংশের ওপরে। অথচ আজও এ দেশের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে উপনিবেশিক ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী। আলেম-উলামাদের পক্ষ থেকে প্রায়ই এই প্রশ্নটি উত্থাপন হয় যে, কোন যুক্তিতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো একটি খ্রিস্টান-ইহুদি প্রভাবিত আইনি কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হবে?
সম্প্রতি দেশের প্রথিতযশা আলেমদের পক্ষ থেকে জোরালোভাবে দাবি উঠেছে—বাংলাদেশে মুসলমানদের জন্য কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক একটি স্বতন্ত্র শরিয়া আদালত গঠন করতে হবে। তারা বলছেন- পারিবারিক, উত্তরাধিকার, বিবাহ-বিচ্ছেদ ও সম্পত্তিসংক্রান্ত বিষয়গুলো ব্রিটিশ আইনে নয়, বরং শরিয়া অনুযায়ী পরিচালিত হওয়াই ন্যায্য ও সংবেদনশীল পন্থা। পাকিস্তানসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে এর নজির রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।
এই প্রেক্ষাপটে আমরা কথা বলেছি দুজন বিশিষ্ট তরুণ আলেমের সঙ্গে, যাঁরা শরিয়া আদালতের প্রয়োজনীয়তা, বাস্তবতা এবং সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেছেন।