||বিশেষ প্রতিনিধি||
এবারের নির্বাচনের আগে তুমুল আলোচনায় ছিল পীর সাহেব চরমোনাই নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি দল নিয়ে ঐক্য করার পেছনে দলটির মুখ্য ভূমিকা ছিল। ইসলামপন্থীদের ভোট একবাক্সে আনতে জোর চেষ্টা ছিল দলটির। এজন্য অতীতের সব তিক্ততা ভুলে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করতেও প্রস্তুত ছিল দলটি। তবে শেষ মুহূর্তে আসন সমঝোতাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বনিবনা না হওয়ায় নির্বাচনী ঐক্য থেকে বেরিয়ে যায় ইসলামী আন্দোলন। আড়াই শতাধিক আসনে দলটির প্রার্থীরা এককভাবে হাতপাখা প্রতীকে নির্বাচন করেন।
এককভাবে নির্বাচন করলে খুব বেশি সুবিধা করা যাবে না-সেটা আগেই মাথায় ছিল ইসলামী আন্দোলনের। তবে আদর্শগত কারণ এবং জামায়াতের হঠকারিতার কারণে দলটি শেষ পর্যন্ত অনেকটা বাধ্য হয়ে এককভাবে নির্বাচন করে। তাদের প্রত্যাশা ছিল, এককভাবে নির্বাচন করলেও দুই চার পাঁচটি আসনে বিজয়ী হওয়া সম্ভব। তবে নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেল, মাত্র একটি আসনে জয় পেয়েছে হাতপাখা। অন্য যে কয়টি আসনে বিজয়ী হয়ে আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছিল, সেগুলোতে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এমনকি যতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলার কথা ছিল, সেটাও অনেক জায়গায় সম্ভব হয়নি।